দ্য বেঙ্গল ঘরানা মানেই বাঙালি পদে রসনাতৃপ্তি। যত রকমের বাঙালি খানা সব এক ছাদের নীচে। কিন্তু এই স্বাদ, এই বাঙালিয়ানা কি কেবল দক্ষিণ কলকাতার জন্য? এমন অনুযোগ উত্তর কলকাতার। সেখানকার খাদ্যরসিকদের। তাঁদের ক্রমাগত আন্তরিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে ৬ এবং ৭ এপ্রিল রাজারহাট নিউটাউনে শিল্প আর রন্ধনশিল্পর জমজমাট আয়োজন। সৌজন্যে বেঙ্গল ঘরানার সঙ্গে কারু।
এই দুই প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ক্ষেত্রে জনপ্রিয় তাদের বৈশিষ্ট্যের কারণে। বেঙ্গল ঘরানা যেমন খাঁটি বাঙালি খাদ্যরসিকদের ভোজনবিলাসিতাকে প্রশ্রয় দেয় তেমনি ডাউনটাউন মলের এই দোকানটি যেন একটুকরো বাংলা। যেখানে হাতের কাজ, তাঁতে বোনা বস্ত্র, ভাস্কর্যর অদ্ভুত ত্রিবেণী সঙ্গম। দু’দিন ধরে তারই সৌহার্দপূর্ণ উপস্থিতি রাজারহাটে। যেখানে পা রাখলেই বাংলার শিল্পকলার যাবতীয় উদাহরণ ধরা দেবে। সে সব দেখার পাশাপাাশি রয়েছে উপহারের পালা। যাঁরা নিজের শিল্প-সংস্কৃতি উপহার হিসেবে প্রিয়জনের হাতে তুলে দিতে ভালবাসেন তাঁরা এখানে পাবেন রকমারি গয়না, কাঠের ফ্রেম, বই, হাতে তৈরি নানা উপকরণ, তাঁত বস্ত্র-সহ আরও অনেক কিছু।
উপস্থিত দর্শকদের জন্য আর কী থাকছে? থাকছে গান, আবৃত্তি, আলোচনা। যার সুচারু পরিকল্পনা স্রবন্তী বসু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এর আগেও এই ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বেঙ্গল ঘরানা। উপস্থিত থেকেছেন জয় সরকার, পরিচালক অতনু ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়, জিনিয়া সেন, অলিভিয়া সরকার, লহমা ভট্টাচার্য, সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। আর থাকচে কব্জি ডুবিয়ে খানাপিনার ঢালাও আয়োজন। যাঁরা রবিবার ক্রংকিটের জঙ্গলে বসন্তের উপস্থিতি অনুভব করতে চান তাঁরা পা রাখতে ভুলবেন না রাজারহাটে। স্রবন্তীর আতিথেয়তা উদয়াপনের বাড়তি আকর্ষণ।
এই দুই প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ক্ষেত্রে জনপ্রিয় তাদের বৈশিষ্ট্যের কারণে। বেঙ্গল ঘরানা যেমন খাঁটি বাঙালি খাদ্যরসিকদের ভোজনবিলাসিতাকে প্রশ্রয় দেয় তেমনি ডাউনটাউন মলের এই দোকানটি যেন একটুকরো বাংলা। যেখানে হাতের কাজ, তাঁতে বোনা বস্ত্র, ভাস্কর্যর অদ্ভুত ত্রিবেণী সঙ্গম। দু’দিন ধরে তারই সৌহার্দপূর্ণ উপস্থিতি রাজারহাটে। যেখানে পা রাখলেই বাংলার শিল্পকলার যাবতীয় উদাহরণ ধরা দেবে। সে সব দেখার পাশাপাাশি রয়েছে উপহারের পালা। যাঁরা নিজের শিল্প-সংস্কৃতি উপহার হিসেবে প্রিয়জনের হাতে তুলে দিতে ভালবাসেন তাঁরা এখানে পাবেন রকমারি গয়না, কাঠের ফ্রেম, বই, হাতে তৈরি নানা উপকরণ, তাঁত বস্ত্র-সহ আরও অনেক কিছু।
উপস্থিত দর্শকদের জন্য আর কী থাকছে? থাকছে গান, আবৃত্তি, আলোচনা। যার সুচারু পরিকল্পনা স্রবন্তী বসু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এর আগেও এই ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বেঙ্গল ঘরানা। উপস্থিত থেকেছেন জয় সরকার, পরিচালক অতনু ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়, জিনিয়া সেন, অলিভিয়া সরকার, লহমা ভট্টাচার্য, সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। আর থাকচে কব্জি ডুবিয়ে খানাপিনার ঢালাও আয়োজন। যাঁরা রবিবার ক্রংকিটের জঙ্গলে বসন্তের উপস্থিতি অনুভব করতে চান তাঁরা পা রাখতে ভুলবেন না রাজারহাটে। স্রবন্তীর আতিথেয়তা উদয়াপনের বাড়তি আকর্ষণ।
















