আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের রাস্তায় কীভাবে নিরাপদে পারাপার হতে হয়, তা নিয়ে এক রাশিয়ান মহিলার মজার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। কেউ তার অন্য দেশে এসে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ সতর্কতার বার্তা দিয়েছেন। জয়পুরে বসবাসকারী ভেরা প্রোকোফেভা ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ভারতে শেখার প্রথম নিয়ম হলো রাস্তা পার হওয়া’। এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ ২৬ হাজারের বেশি ভিউ পেয়েছে। ভাইরাল হওয়া এই ক্লিপে ভেরা তাঁর এক বন্ধুকে বলেন, ‘আমি তোমাকে শেখাব কীভাবে রাস্তা পার হতে হয়’। এরপর তিনি হাতের ইশারায় গাড়ি থামানোর ভঙ্গি দেখান এবং ধীরে ধীরে রাস্তার অপর প্রান্তে চলে যান। ভেরা বলেন, ‘তাদের দেখাতে হবে যে তুমি গাড়ি থামাচ্ছো, তারপর রাস্তা পার হয়ে যাও’। একবার সফলভাবে পার হয়ে তিনি একই কৌশল আবারও দেখান এবং হাসিমুখে বলেন, ‘মিশন কমপ্লিট সাকসেসফুলি!’
রাশিয়ান তরুণীর ক্ষমতা চমকে দেবে! তিনি নাকি হ্যাক করে নিয়েছেন জয়পুরকে, রইল সেই ভাইরাল ভিডিও

ভিডিওটি ঘিরে নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। একজন লিখেছেন, ‘তুমি একদম প্রফেশনালের মতো জয়পুরের ট্রাফিক হ্যাক করেছ!’ আরেকজন বলেন, ‘আমি জয়পুরের বাসিন্দা, পুরোপুরি রিলেট করতে পারছি – এটা সত্যিই কাজ করে’। তবে কিছু ব্যবহারকারী সতর্ক করেছেন, ‘সাবধান, সবসময় গাড়িচালক থামবেন না’। তবে ভেরা প্রোকোফেভার এই হালকা মেজাজে রাস্তা পার হওয়ার টিউটোরিয়াল ভারতে বিখ্যাত বিশৃঙ্খল ট্রাফিক সামলানোর প্রসঙ্গে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কর্ণাটকের উপকূলবর্তী পর্যটন শহর গোকর্ণয় দুই কন্যা সন্তানের সঙ্গে একটি গুহার ভেতরে থাকার পর সবাইকে একপ্রকার হতবাক করে দেন এক রাশিয়ান যুবতী।
খবর অনুযায়ী এই রাশিয়ান যুবতীর নাম নিনা কুটিনা। যুবতী দাবি করেন যে গোয়ার একটি গুহায় থাকার সময় তিনি এক শিশু সন্তানের জন্ম দেন। তিনি জানান তাঁদের বাবা একজন ইসরায়েলি ব্যবসায়ী। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নিনা কুটিনার পার্টনার এবং ইসরায়েলি ব্যবসায়ী ড্রর গোল্ডস্টেইন এক অদ্ভুত দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কর্ণাটকের গুহায় কুটিনাকে সন্তানদের সঙ্গে খুঁজে পাওয়ার পর থেকে তাঁকে তাঁরই সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ড্রর আরও জানান, দুই সন্তানের যৌথ হেফাজতের জন্য তাঁর সঙ্গে কুটিনার মতবিরোধ চলছে। এর জেরে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন ড্রর। খবর অনুযায়ী, চলতি মাসের ৯ জুলাই বিকেল ৫ টার দিকে রুটিন টহলের সময় পুলিশকর্মীরা পাহাড়ের উপরে এক গুহার কাছে একটি অদ্ভুত দেখতে ঘর দেখতে পায়।
এরপর তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার উদ্দেশে সেখানে এগিয়ে যেতেই কুটিনার খোঁজ পায়৷ যুবতী ভারতে আসেন বিজনেস ভিসায়। কুটিনা জানান, তাঁর ভিসা ও পাসপোর্ট গুহায় হারিয়ে গিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার পর গোকর্ণ থানার পুলিশ এবং বন দপ্তরের সদস্যরা যৌথভাবে একটি অনুসন্ধান অভিযান চালায়৷ শেষমেশ তাঁর পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করে দেখা যায়, তিনি ভারতে প্রথম আসেন একটি ব্যবসায়িক ভিসায়। ভিসার মেয়াদ শেষ হয় ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল। এরপর ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল গোয়ার পানাজিতে অবস্থিত ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (FRRO) তাঁর নামে একটি এক্সিট পারমিট জারি করে। তারপর তিনি নেপাল যান। ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আবার ভারতে ফিরে আসেন। সেই থেকে তিনি ভারতে অবৈধভাবেই অবস্থান করছেন।















