বিয়েতে 'হ্যাঁ' বলার আগে সঙ্গীর সঙ্গে অবশ্যই বলুন এই ৫ কথা
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১০ : ০৪
শেয়ার করুন
1
12
কেরিয়ার সামলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বয়স ৩০ পেরিয়েছে? চারপাশের সম্পর্কের জটিলতায় আপনিও কি কিছুটা ভয় পাচ্ছেন, ভয় পাবেন না। সঙ্গীর সঙ্গে জরুরি কিছু কথা বলে নিন প্রথমেই৷
2
12
৩০ এর পরে বিয়ে করা মানেই জীবনে জটিলতা বেশি তা কিন্তু নয়৷ ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আপনি নিজেকে যতটা চেনেন জানেন, তা সদ্য আপনার জীবনে আসা মানুষটির পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়৷
3
12
আপনার অভ্যাস, পছন্দ, আর্থিক বিষয় ভাবনা, কর্মজীবনে আপনার লক্ষ্য, চ্যালেঞ্জ সবকিছুই আলাদা৷ তাই বিয়ের কেনাকাটা শুরুর আগেই সেরে নিন জরুরি ৫ কথা৷
4
12
ভালবাসা মাসে মাসে আপনার ইমআই দেবে না। তাই সঙ্গীর সঙ্গে আর্থিক বিষয় আলোচনা করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি৷ কোন কোন খাতে আপনার খরচ হয়, কতটা খরচ হয়, কোন খাতে খরচ কমানো সম্ভব নয়, এই সব বিষয় খোলাখুলি আলোচনা করুন৷
5
12
শুধু খরচ নয়, টাকা কীভাবে জমান, আগামী দিনে একসঙ্গে সঞ্চয় করতে চাইবেন না দু'জনে একা নিজেদের মতো করে সঞ্চয় করবেন এই বিষয় জেনে নেওয়া জরুরি৷
6
12
ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাগত জীবন দুই গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ের পর ব্যক্তিগত জীবন বদলাবে। অফিসে বা ব্যবসায় কাজের চাপ বেশি থাকলে ঘরের কাজ কীভাবে সামাল দেবেন? ঘরের কাজের দায়িত্ব কি দুজনেই সমান ভাবে করবেন? এই প্রশ্ন আলোচনা করা জরুরি৷
7
12
সঙ্গী এবং আপনার জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি কী? বিয়ের পরবর্তী সময় পেশাগত উন্নতি নিয়ে কী ভাবনা চিন্তা? কোন কোন কাজ আপনার করতে ভাল লাগে না এই বিষয় আলোচনা করা জরুরি।
8
12
একজন যদি কেরিয়ারকে বেশি গুরুত্ব দেন আর অন্যজন পরিবারকে অগ্রাধিকার দেন, তাহলে সংঘাত তৈরি হতে পারে। তাই আগে থেকেই প্রত্যাশা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
9
12
সন্তান চাই কি চাই না, সন্তান চাইলে কবে নাগাদ চাই, কতজন সন্তান চাই—এসব বিষয়ে দুজনের মত এক না হলে ভবিষ্যতে সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে। তাই শুরুতেই কথা বলা প্রয়োজন।
10
12
"আমরা এই বিষয় পরে কথা বলব" বলে সন্তানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে যাওয়া একেবারেই উচিত না। এমনকি সন্তান আসতে সমস্যা হলে দত্তক নেওয়ার বিষয়েও সঙ্গীর মতামত জেনে নেওয়া জরুরি। এবং সন্তান জন্মের পর আর্থিক ভাবে কে কোন দায়িত্ব নিতে পারে সেই বিষয় ধারণা থাকা প্রয়োজন।
11
12
একসঙ্গে থাকতে গেলে মতের অমিল হওয়া স্বাভাবিক৷ যাঁরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে ভাল ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বেশি ভালবাসা আছে তা নয়৷ তাদেরও মতের অমিল হয়। মতের অমিল হলে মনখারাপ বা রাগ হলে আপনারা কী করেন? সেই বিষয় দু'জনের দু'জন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। কীভাবে সুস্থ আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া যায় সেটার জন্য কী করণীয় জানতে হবে৷
12
12
জীবনে ভাল সময়ের পাশাপাশি খারাপ সময়ও আসবে৷ উদ্বেগ, ভয়, দুশ্চিন্তা, বাহ্যিক কারণে রাগ হলে মানসিক ভাবে আপনার চাহিদা কী, সঙ্গীর থেকে কী আশা করেন এই বিষয় কথা বলা জরুরি।