আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটিয়েছে নরওয়ে। শেষ ষোলো থেকে ছিটকে দিয়েছে ব্রাজিলকে। আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় নিশীথ সূর্যের দেশ। গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে সমর্থকরা। আরও একটি আবেগঘন মুহূর্ত আসে মাঠের বাইরে থেকে। ম্যাচ শেষে হালান্ডের বান্ধবী ইসাবেল হাউগসেন জোহানসেন ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তা দেন। যা মন ছুঁয়ে যায় ফুটবল ভক্তদের। ম্যান সিটির স্ট্রাইকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর পোস্ট দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ফ্যানদের নজরে আসে।
বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকারদের মধ্যে কেন তিনি অন্যতম, সেটা আরও একবার প্রমাণ করেছেন হালান্ড। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজামাত্র, ইনস্টাগ্রামে নিজের আবেগ ঢেলে দেন নওয়ের তারকার দীর্ঘদিনের বান্ধবী। নিজের স্টোরিতে একটি আন্তরিক বার্তা পোস্ট করেন। হালান্ড এবং তাঁর যাবতীয় প্রাপ্তি নিয়ে তিনি কতটা গর্বিত জানান। স্টোরিতে জোহানসেন লেখেন, হালান্ডকে এই জায়গায় পৌঁছতে দেখে তিনি গর্বিত। গত কয়েক বছরের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। জানান, পরিশ্রম এবং হার না মানা মনোভাবে এই জায়গায় পৌঁছেছেন হালান্ড। ফুটবল থেকে দূরে থাকলেও, বরাবর নরওয়ের তারকা ফুটবলারকে সমর্থন জানিয়েছেন।
দু'জনের সম্পর্ক দীর্ঘ বছরের। সেই মাঠ থেকে। দু'জনেই নরওয়ের ব্রাইনে বেড়ে ওঠে। দু'জনের ছোটবেলার একাংশ কেটেছে বাইনে এফসির ইউথ দলে ফুটবল খেলে। ছোটবেলা থেকেই একে অপরকে চিনলেও, শুধুই বন্ধুত্ব ছিল। ২০২১ সাল থেকে ডেটিং শুরু করেন। ততদিনে ইউরোপের প্রতিভাবান ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন হালান্ড। সেই থেকেই নিজেদের সম্পর্ক জনসাধারণের নজরে আনতে চাননি দু'জন। নরওয়ের একটি ফ্যাশন বুটিকে পার্ট টাইম কাজ করতেন জোহানসেন। হালান্ডের পাশে থাকতে, ম্যাঞ্চেস্টারে স্থানান্তরিত করেন। ২০২৪ সালে তাঁদের প্রথম সন্তানের জন্ম দেন দম্পতি। হালান্ডের বাড়তি জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও, ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবন প্রচারের আলোর বাইরে রাখেন এই প্রেমিক যুগল।















