আজকাল ওয়েবডেস্ক: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মেক্সিকোকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে পৌঁছে গিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের গতির বিরুদ্ধে গিয়ে গোলগুলো পায় হ্যারি কেনরা। বাকি সময়টা মেক্সিকোর। আয়োজক দেশেরই জেতা উচিত ছিল। দশজন নিয়ে কঠিন ম্যাচ উত্তীর্ণ হওয়ার পর উচ্ছ্বাসে ভাসে ইংল্যান্ড দল। এখানেই বিপত্তি। সেলিব্রেশনের সময় হাতের রিস্টে গুরুতর চোট পান জর্ডন হেন্ডারসন। ম্যাচের পর জানান টমাস টুখেল। এদিন খেলেননি ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার। কিন্তু উৎসবে মাতার সময় বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ের ওপর থেকে বেকায়দায় পড়ে যান ডেন্ডারসন। হাতের রিস্টে চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে বের করা হয়। সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।
ইংল্যান্ডের জয়ের পর টমাস টুখেল বলেন, 'জর্ডন হেন্ডারসন পড়ে গিয়ে হাতের রিস্টে চোট পেয়েছে। দেখে ভাল মনে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে চোট গুরুতর। এই জয়ের পর জর্ডন আমাদের সঙ্গে এখানে নেই, ভেবে ভাল লাগছে না। ডাক্তার জানিয়েছে, ও হাসপাতালে আছে।' ম্যাচ শেষে দলের ভূয়সী প্রশংসায় ইংল্যান্ডের কোচ। ৫৪ মিনিটে লালকার্ড দেখে জ্যারেল কুয়ানসা মাঠ ছাড়ার পর বাকি সময়টা দশজনে খেলে থ্রি লায়ন্সরা। সাহসী লড়াই ব্রিটিশদের। টুখেল বলেন, 'আমি খুবই গর্বিত। আমাদের সবকিছু উজাড় করে দিতে হত। খুবই কঠিন ছিল। যখনই ভেবেছি এবার আমরা মোমেন্টাম পাবো, তখনই সেটব্যাক হয়েছে। কিন্তু মানসিকতার পরিচয় দেখিয়েছে এই দল। কঠিন সময় হাল ছেড়ে দেয়নি। নিজেদের ওপর বিশ্বাস হারায়নি।'
আরও একধাপ এগিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচ যে তাঁদের মনোবল দ্বিগুণ বাড়াবে সেটা স্বীকার করে নেন হ্যারি কেনদের কোচ। টুখেল বলেন, 'আরও একটা ধাপ অতিক্রম করেছি। আমাদের এটা উপভোগ করতে হবে। এটা মেক্সিকো, পাগলের মতো একটা ম্যাচ হল। প্রত্যেককে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছে। হৃদয় দিয়ে লড়লে, আত্মবিশ্বাস থাকলে সবকিছু সম্ভব। আমি বাক্যহীন। আইকনিক স্টেডিয়ামে আইকনিক ম্যাচ। এতগুলো বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে আমাদের।' কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি ইংল্যান্ড। ১৯৩৭ সালে প্রথম সাক্ষাতের পর দুই দল ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে। প্রথম চার ম্যাচ ফ্রেন্ডলি ছিল। সব ম্যাচই জিতেছে ইংল্যান্ড। শেষ আটের লড়াইয়েও একই ধারা অব্যাহত রাখতে চায় ব্রিটিশরা।















