লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প ছিল। রাজ্যে পালা বদলের পরে সেই জায়গা নিয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা। ১৫০০ টাকার বদলে যোগ্য মহিলারা এখন পাবেন ৩০০০ টাকা। ফলে জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে।
2
15
প্রকল্পের ঘোষণার পর থেকে একাধিক বার নিয়ম বদল হয়েছে। প্রথমে সকল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের অন্নপূর্ণা যোজনার অন্তর্ভূক্ত করা হবে। কিন্তু স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সকল আবেদনকারীকে ফর্ম পূরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
3
15
১ জুন থেকে অফলাইন এবং অনলাইনে ফর্ম পূরণের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু ফর্ম পূরণের কাজ ২৭ মে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। চলবে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই প্রথম দফার টাকা অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
4
15
যোগ্য প্রাপকদের তালিকা ক্রমাগত আপডেট করা হচ্ছে। ফর্ম পূরণ করা নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন ছিল। সেই সকল প্রশ্নের উত্তরে গাইডলাইন জারি করেছে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তর।
5
15
তারপরেও অনেকের মনে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে যে, একই পরিবারের দু'জন মহিলা সদস্য এই প্রকল্পের জন্য আদৌ আবেদন করতে পারেন কিনা।
6
15
একই পরিবারের একাধিক যোগ্য মহিলা এই আর্থিক সহায়তার জন্য আলাদাভাবে আবেদন করতে পারবেন কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।
7
15
একই পরিবার থেকে দু’জন মহিলা কি আবেদন করতে পারেন? অন্নপূর্ণা যোজনার নির্দেশিকা অনুসারে, সরকার আবেদন পদ্ধতি এবং যোগ্যতার একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
8
15
নির্দেশিকা অনুযায়ী, একটি পরিবারের একাধিক মহিলা সদস্য যদি যোগ্যতার মাপকাঠি পূরণ করতে পারেন, তবে তাঁদের আবেদন খারিজ করার কোনও কারণ নেই।
9
15
আবেদনকারীদের পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা এবং বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। কোনও পরিবারের শাশুড়ি এবং বৌমা এই শর্ত পূরণ করেন তাহলে তাঁরা আবেদন জানাতেই পারেন।
10
15
একই ছাদের তলায় বসবাস করলেও দুই মহিলারই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আবেদন সঠিক থাকলে এবং সব শর্ত পূরণ হলে অন্নপূর্ণা প্রকল্পেও একই পরিবারের একাধিক মহিলা মাসিক ৩ হাজার টাকা পাবেন৷
11
15
রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী, পরিবার পিছু নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ নেই। বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি কোনও যৌথ পরিবারে দু’টি বিবাহিত দম্পতি আলাদাভাবে বসবাস করেন। সেক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা।
12
15
যদি তাঁদের আলাদা রেশন কার্ড ও আধার কার্ড থাকে, তবে তাঁদের পৃথক পরিবার হিসেবে গণ্য করা হয়। এক্ষেত্রে কিন্তু উভয় পরিবারের বিবাহিত নারী প্রধানরা পৃথকভাবে আবেদন করতে পারবেন।
13
15
https://socialregistry.wb.gov.in/ পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। ১৫-১৮ জুন জনকল্যাণ শিবিরে আবেদন জমা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিএলও-রা অফলাইনে ফর্ম পূরণে সহায়তা করছেন।
14
15
জমা দেওয়া সমস্ত ফর্ম জেলাশাসকের কার্যালয় এবং স্থানীয় পঞ্চায়েত পর্যায়ে ডিজিটালভাবে মেলানো হবে। তারপরে আবেদন মঞ্জুর করা হবে।
15
15
টাকা পেতে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক নইলে টাকা পাওয়া যাবে না।