আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন বিরাট কোহলি। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। তার আগে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বও ছেড়েছিলেন কোহলি। পরে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

সম্প্রতি নিজের সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ ব্যাখ্যা করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। কোহলির কথায়, দীর্ঘদিন নেতৃত্বের চাপ এবং ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব তাঁকে ভিতর থেকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দিয়েছিল।

কোহলি বলেন, ভারতীয় ক্রিকেটকে শীর্ষে রাখার তাগিদেই তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ উজাড় করে দিয়েছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময় তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়েছিলাম। সবকিছু আমাকে গ্রাস করেছিল। প্রত্যাশার চাপ সামলানো খুব কঠিন হয়ে উঠেছিল।”

তিনি আরও জানান, দলের ড্রেসিংরুমে যেন কোনও অনিশ্চয়তা না ঢোকে, সেটাই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। সেই সময় দলের কোচ রবি শাস্ত্রী এবং টিম ম্যানেজমেন্টের সমর্থনের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন কোহলি।

অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর জীবনের কঠিন সময়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। কোহলির দাবি, সেই সময় ভারতের প্রাক্তন কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর তাঁকে নতুন করে ক্রিকেট উপভোগ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন।

কোহলির কথায়, ''ওরা আমাকে এমনভাবে আগলে রেখেছিলেন, যাতে আবার খেলতে ইচ্ছা করে। মাঠে নেমে দলের জন্য লড়াই করতে মন চাইত। ওঁদের সমর্থনই আমাকে বুঝতে সাহায্য করেছে, এতদিনে আমি কী অর্জন করেছি।''

উল্লেখ্য, ভারতের টেস্ট ইতিহাসে অন্যতম সফল অধিনায়ক কোহলি। তাঁর নেতৃত্বে ৬৮টি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে ৪০টিতেই জয় পেয়েছিল ভারত।