আজকাল ওয়েবডেস্ক: এমন নজির খুঁজে পাওয়া ভার। থানে পৌরসভা ভোটের ফলাফলে সামনে এল অদ্ভূত ঘটনা। তিনটি পৃথক কেন্দ্র থেকে পরস্পর বিরোধী তিন দলের প্রার্থী হিসাবে জয় পেলেন একই পরিবারের তিনজন। থানের মাত্রে পরিবারের তাই খুশির হাওয়া।
ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে যে, প্রহ্লাদ মাত্রে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার (এমএনএস) প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন। পরিবারের অপর সদস্যা রেখা মাত্রে শিবসেনার টিকিটে জিতেছেন। পরিবারের আরেক সদস্য রবিন মাত্রে বিজেপির হয়ে থানে পৌরসভার একটি ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন।
তবে সামগ্রিক ফলাফল প্রহ্লাদের ক্ষেত্রে বেশ হতাশাজনক, কারণ বিজেপি-সেনা জোট থানে পৌর নির্বাচনে আধিপত্য বিস্তার করেছে।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলের প্রবণতা অনুসারে,
অবিভক্ত শিবসেনার শক্ত ঘাঁটি এবং উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নিজের এলাকা থানেতে বিজেপি এবং শিন্ডে হাত মিলিয়েছে। অন্যদিকে এই পুরসভায় মহাজোটের আরেক শরিক অজিত পাওয়ারের এনসিপি একাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ১৩১ আসনের থানে পৌরসভায় শিন্ডে সেনা ৮৭টি আসনে এবং বিজেপি ৪০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
অন্যদিকে, একসময়ের বিচ্ছিন্ন ঠাকর ভাইয়েরা (উদ্ধব এবং রাজ) ২০ বছর পর মহারাষ্ট্রের পৌরসভা নির্বাচনে একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ফের হাত মিলিয়েছেন। তারা থানেতেও জোট করে লড়েছেন। শরদ পাওয়ারের এনসিপির সঙ্গেও হাত মিলিছিল ঠাকরে জোট। তবে বিজেপি-সেনার ঝড়ের মুখে ধরাশায়ী হয়। কংগ্রেস একা ৯৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
২০১৭ সালে, উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন অবিভক্ত শিবসেনা ১৩১টি আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জয়লাভ করে এবং এককভাবে পরিষদ গঠন করে। এনসিপি ৩৪টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল এবং বিজেপি ২৩টি আসন দখল করেছিল। তবে, একনাথ শিন্ডের থানেতে সুবিধা ছিল, কারণ ২০১৭ সালে নির্বাচিত ৬৭ জন সেনা কর্পোরেটরের মধ্যে ৬৬ জনই উপমুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করেছিলেন।
১৯৮৭-১৯৯৩ সাল বাদে, অবিভক্ত শিবসেনা থানেতে তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছে, যার প্রধান কারণ ছিল দলের দুই স্তম্ভ বালাসাহেব ঠাকরে এবং আনন্দ দিঘের উত্তরাধিকার।
