ভাত ভারত উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাবার। কিন্তু আজকালকার ব্যস্ত এবং ঝঞ্ঝাপূর্ণ জীবনে নানা রোগ অল্প বয়সেই শরীরে থাবা বসাচ্ছে। এর মধ্যে ডায়াবেটিস প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে ঢুকে পড়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে অনেকেই ভাত খাওয়া ছেড়ে দিচ্ছেন। কিন্তু ভাত যদি আপনার পছন্দের খাবার হয় তবে? ছবি- সংগৃহীত
2
7
ভাতের বদলে এই ৫টি ধরনের চালের ভাত খান। ডায়াবেটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে আবার পছন্দের খাবারের থেকে মুখও ফেরাতে হবে না। এই চালগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাধারণ বাজার চলতি চালের থেকে অনেক কম। স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ বেশি। ছবি- সংগৃহীত
3
7
লাল চাল: লাল চাল অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং রঙিন একটা অপশন। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৪৫ থেকে ৫২। ফলে এটি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বাড়ে না। উল্টে এই চালে ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। প্রদাহ কমায়, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি সঠিক রাখে। ছবি- সংগৃহীত
4
7
বন্য চাল: এটা ঠিক চাল নয়, বরং এক ধরনের ঘাসের বীজ। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স আরও কম, মাত্র ৩৫ থেকে ৪০। হাফ কাপ বন্য চালে ১৭.৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ১.৫ গ্রাম ফাইবার থাকে। পেট ভরায় আবার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ছবি- সংগৃহীত
5
7
কালো চাল: কালো চাল বিষয়টা যে কেবল ইউনিক সেটাই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও ভীষণ ভাল। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বন্য চালের মতোই ৩৫ থেকে ৪৫। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এতে ভরপুর ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। ছবি- সংগৃহীত
6
7
বাসমতী চাল: এর সুগন্ধের জন্য এই চাল অত্যন্ত জনপ্রিয়। মূলত বিরিয়ানি বা পোলাও ইত্যাদি বানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। সাদা এবং বাদামি, দুই ধরনের বাসমতী চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশ কম। ছবি- সংগৃহীত
7
7
বাদামি চাল: সাদা বা সাধারণ চালের সেরা বিকল্প এটি। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৫০। ধীরে ধীরে হজম হয়, ফলে ঘনঘন খিদে পায় না। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে যেমন ফাইবার রয়েছে, তেমনই ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। ছবি- সংগৃহীত