নতুন বছর। নতুন বছর বলতেই যে দুটো বিষয় শুরুতেই মাথায় আসে, তা হল-নতুন বছরের ডায়েরি, নতুন বছরের ক্যালেন্ডার। বহু সংস্থা কর্মী, গ্রাহকদের জন্য এই ডায়েরি, ক্যালেন্ডার বানায়।
2
7
বর্তমানে বহু শিল্পীও নানা থিমে, নানা ভাবনায় নতুন বছরের ক্যালেন্ডার তৈরি করছেন। পাতা উলটে উলটে কোথাও বাঙ্গাল সিনেমার কথা, কোথাও একত্রিত সত্যজিৎ-এর সৃষ্টি। তবে এবার ক্যালেন্ডারের জন্য মেঘদূত সাহা যা ভেবেছেন, তা নিয়ে বেশ চর্চা শহরে। কেউ কেউ মুগ্ধ। কেউ কেউ আপ্লুত, বিস্মিতও খানিকটা।
3
7
কী করেছেন তিনি? কেন হইচই? জানা গিয়েছে, মেঘদূতের গ্রিন ভার্টিক্যালজ নামে যে সংস্থা রয়েছে, ওই সংস্থা থেকে গ্রাহকদের জন্য নতুন বছরে উপহার হিসেবে নতুন কিছু দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই মূলত এই ক্যালেন্ডারের ভাবনা।
4
7
কিন্তু ক্যালেন্ডার তো বহু সংস্থা বানান? নতুন কী রয়েছে মেঘদূতের ক্যালেন্ডারে? তিনি নিজেই জানাচ্ছেন, 'ভেবেছিলাম এমন কিছু উপহার দেব, যেটা ফেলে দেওয়া যাবে না। ব্যবহার করা যাবে পুনরায়। তা থেকেই এই ক্যালেন্ডারের ভাবনা। এই ক্যালেন্ডারের প্রতিটি মাসের জন্য এক একটি পাতা রয়েছে। আর প্রতিটি পাতার মধ্যে রয়েছে বীজ।'
5
7
তারপর? জানান, 'একমাস শেষ হলে, ওই পাতাটি ছিঁড়ে মাটিতে ফেলে দিলেই, নিজের মতোই গাছ হয়ে যাবে তা থেকে।'
6
7
এই ক্যালেন্ডার কীভাবে পেতে পারবেন কেউ? মেঘদূত জানাচ্ছে, এবার তিনি কেবল সংস্থার গ্রাহকদের জন্য বানিয়েছেন । সাত বছরে প্রথমবার তিনি বানিয়েছেন এই ধরনের উপহার। তবে কেউ সংস্থার দপ্তরে যোগাযোগ করলে, খোঁজ পেতে পারেন এই ক্যালেন্ডারের।
7
7
কে এই মেঘদূত সাহা? পূর্ব বর্ধমানের মেঘদূত পড়াশোনা করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তারপরেই তিনি নিজের স্টার্টআপ বানান 'গ্রিন ভার্টিক্যালক' নামে। এই সংস্থা শহরের বিভিন্ন বহুজাগতিক সংস্থার নিজস্ব বাগান কিউরেট করে। পরিকল্পনা ইট-কাঠ-পাথরের শহরে সবুজকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়া।