বিগত বছর থেকে শুরু করে চলতি বছরেও স্টক মার্কেটে ধস প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। সেদিক থেকে দেখতে হলে বছরের প্রচুর সময় ধরে বন্ধ থাকছে স্টক মার্কেট।
2
9
এমনিতেই জাতীয় ছুটির দিনে স্টক মার্কেট বন্ধ থাকে। শনিবার-রবিবারও বন্ধ থাকে স্টক মার্কেট। সেখানে ব্যবসা অনেকটাই কমের দিকে থাকে।
3
9
বিশ্বের বিনিয়োগের দিকে তাকালে দেখা যায় ভারতের শেয়ার বাজার কয়েকমাস ধরে একটু বেশি ওঠানামা করছে। যেসময় বিনিয়োগ করার কথা ছিল তখনই বন্ধ থাকছে বাজার।
4
9
২০২৫ সালের পর ২০২৬ সালও দাদাল স্ট্রিটের ছুটি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে। বিশ্বের আর্থিক পরিস্থিতি যেখানে খারাপ সেখানে ভারতের বাজার অনেকটাই স্থিতিশীল।
5
9
এই স্থিতিশীলতা বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আসতে সহায়তা করেছে। ফলে যেখানে অন্য দেশগুলিতে সমস্যা তৈরি হয়েছে সেখানে ভারত অনেকটা স্থির রয়েছে।
6
9
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিনেই বাজেট পেশ করা হবে। সেদিন খোলা থাকবে স্টক মা্র্কেটও। ফলে যেভাবে বাজেটের দিক স্থির হবে তেমনভাবে চলবে মার্কেটও।
7
9
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ভারতের শেয়ার বাজার এখন অতিরিক্ত ছুটির গল্পে ভুগছে। ফলে সেখানে কাজের দিনের তুলনায় ছুটি বেশি থাকছে। সেখান থেকে দেখতে হলে এই পরিস্থিতি বেরিয়ে আসা সমস্যার।
8
9
মার্কিন বাজারের দিকে তাকিয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। সেখানে মার্কিন শুল্কের প্রভাব বাজারে থাকলেও কেন্দ্রীয় সরকার তাকে সামলে রেখেছে।
9
9
তবে যদি বাজারে ছুটির দিন কমতে থাকে সেখানে কাজের পরিমান বাড়বে। বিনিয়োগকারীরা সেখানে বাড়তি সময় পাবেন নিজের অর্থকে পরিচালিত করতে। সেখানেই এবার জোর দিতে চাইছে শেয়ার কর্তারা।