আজকাল ওয়েবডেস্ক: কখনও ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ড, কখনও বা লাইনচ্যুত। একের পর এক ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার সাক্ষী রয়েছে দেশ। সাম্প্রতিককালেও একাধিক রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। একাধিক ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার এই প্রসঙ্গেই কড়া বার্তা দিল ভারতীয় রেল। তাদের দাবি, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, সমাজবিরোধীদের চক্রান্ত। একের পর এক রেলে অগ্নিসংযোগ স্রেফ নাশকতার ছক।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিককালের একাধিক রেল দুর্ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলেছে। একাধিক ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সব খতিয়ে দেখার পরেই রেল জানিয়েছে, একাধিক জায়গায় চক্রান্ত করে দুর্ঘটনার কবলে ফেলা হয়েছে রেলকে। যেমন রাজস্থানের আমরপুরা স্টেশনের দুর্ঘটনা। ওই রেলের বিছানাপত্রে এক যুবক পরিকল্পনামাফিক আগুন জ্বালিয়ে দেয়। যার জেরে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে রেলের কামরা।
আরও একটি ঘটনা ঘটেছে হাওড়ায়। রেলের বাথরুম থেকে পেট্রোলে ভেজানো কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। ১৯ মে মিথিলাগামী হাওড়া-রক্সৌল এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। জেনারেল কামরার বাথরুম থেকে কালো ধোঁয়া দেখা গিয়েছিল। আতঙ্কে তাড়াহুড়ো করে কামরা ছেড়ে পালিয়ে যান যাত্রীরা। যদিও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এই একরকম ঘটনা ঘটেছিল কোটাতেও। গত ১৭ মে মধ্যপ্রদেশের রাতলামে তিরুবনন্তপুরম-হজরত নিজামুদ্দিন রাজধানী এক্সপ্রেসের কামরায় দাউদাউ আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই কামরায় ৬৮ জন যাত্রী ছিলেন। ১৫ মিনিটের পর ওই কামরা ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে সাসারাম স্টেশনেও একটি খালি ট্রেনে দাউদাউ আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। যেখানে কোনও পাওয়ার জেনারেটর ছিল না। যা থেকে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা, বাইরে থেকে কেউ বা কারা বিস্ফোরক কিছু ছুড়ে ফেলেছিল রেলের কামরায়।
ভারতীয় রেলের দাবি, যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে, স্বাভাবিক পরিষেবা বিঘ্নিত করতেই এহেন কাণ্ড পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। পরিস্থিতির জেরে যাত্রীদের সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছে রেল। ভারতীয় রেলে সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে, দ্রুত ১৩৯ নম্বরে রেল হেল্পলাইনে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।















