জৈষ্ঠ্যের চড়া রোদ। নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় আপামর বাঙালির। এই তীব্র গরমে একটু শান্তিতে বাঁচতে এসি বর্তমানে অত্যন্ত জরুরি জিনিস। তবে বাজারে এত রকমের এসি আছে যে, সাধারণ ক্রেতারা কোনটা কিনবেন তা ভেবে কুলকিনারা পান না।
2
10
ইনভার্টার এসি নাকি সাধারণ নন-ইনভার্টার স্প্লিট এসি কোনটি কেনা লাভজনক, তা নিয়ে অনেকেরই দ্বন্দ্ব।
3
10
বাজারে এখন ১.৫ টন ৩-স্টার বা ৫-স্টার এসির চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। মধ্যবিত্তরা সাধারণত এই এসি-ই পছন্দ করেন। তবে শুধু কেনার সময়কার দাম দেখলে চলবে না, মাসে মাসে কত বিদ্যুৎ বিল আসবে, সেই হিসাবটাও জরুরি।
4
10
ইনভার্টার এসি। এর ভেতরের কম্প্রেসারটি ঘরের তাপমাত্রা বুঝে নিজের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ঘর ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি পুরোপুরি বন্ধ না হয়ে, খুব কম গতিতে চলতে থাকে। ফলে ঘরের তাপমাত্রা একই রকম থাকে এবং বিদ্যুৎ খরচ অনেক কমে যায়।
5
10
নন-ইনভার্টার স্প্লিট এসি। এই এসির কম্প্রেসারটি নিজের গতি কমাতে-বাড়াতে পারে না। ঘর ঠান্ডা হয়ে গেলেই এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘর কিছুটা গরম হলেই পুরো শক্তিতে চালু হয়। এই বারবার বন্ধ আর চালু হওয়ার কারণে এতে বিদ্যুৎ বেশি পোড়ে।
6
10
প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নত হওয়ায় ইনভার্টার এসির দাম সাধারণ এসির চেয়ে কিছুটা বেশি হয়। তবে ক্রেডিট কার্ড বা নো-কস্ট ইএমআই সুবিধায় কিনলে পকেটে তেমন চাপ পড়ে না।
7
10
শুরুতে ইনভার্টার এসির দাম বেশি হলেও, মাসে মাসে বিদ্যুৎ বিলের সাশ্রয় দিয়ে এই টাকা উসুল হয়ে যায়। একটি ৫-স্টার ইনভার্টার এসি সাধারণ এসির তুলনায় প্রায় ৩০% থেকে ৪০% পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল বাঁচাতে পারে।
8
10
দুই ধরনের এসির জন্যই নিয়মিত সার্ভিসিং ও ফিল্টার পরিষ্কার করা জরুরি। তবে ইনভার্টার এসির ভেতরের সার্কিট ও পিসিবি বোর্ড বেশ জটিল। তাই ইনভার্টার এসি কখনও খারাপ হলে তা সারানোর বা পার্টস বদলানোর খরচ সাধারণ এসির চেয়ে একটু বেশি।
9
10
ফলে কেনার সময় ব্র্যান্ডের কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি ও এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি ভালো করে দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
10
10
সব দিক মাথায় রেখে, ইনভার্টার এসিই মধ্যবিত্তের জন্য উপযুক্ত। যেখানে রাতে টানা ৭-৮ ঘণ্টা এসি চলে, সেখানে ইনভার্টার এসি কেনাই সবচেয়ে লাভজনক।