এক দাদার যত্নসহকারে তাঁর চার বোনকে আগলে রাখার গল্প বলছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'দাদামণি'। দাদা 'সোম'-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রতীক সেন। মা সন্তানদের ছেড়ে চলে গেছে, আর বাবা মদ্যপ। তাই বোনেদের কাছে বাবা-মা উভয়ই 'সোম' অর্থাৎ প্রতীক সেন। 

 


শুধু দাদা-বোনের সম্পর্কের বন্ধনই নয়, এই ধারাবাহিক বলছে মিষ্টি প্রেমের কাহিনিও। গল্পের নায়িকা পার্বতীকে ছোট থেকেই ভালবাসে সোম। কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছেনা। বড় হয়েও সোমের ভালবাসা একইরকম পার্বতীর প্রতি। তবে এবার পার্বতীর অমতে তার বিয়ে ঠিক করে পার্থসারথি। কিন্তু ঘটনাচক্রে পার্বতীর সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায় সোমের। কিন্তু এখন সোম ও পার্বতীর প্রেমকাহিনি দেখতে পারছেন দর্শক। যা গল্পের মোড়ে একটু একটু করে আরও মজবুত হচ্ছে। 

 

 

এদিকে, বিয়ে বাড়িতে এসে বড়সড় বিপাকে পড়ে সোম-পার্বতী। বর-কনেকে সাতপাকে ঘুরতে দেখে সোম, পার্বতীকে বলে যে তাদেরও তো সাতপাকে ঘোরাটা বাকি রয়ে গিয়েছে। কিন্তু সাতজন্ম পার্বতীর সঙ্গেই থাকবে সোম। সোমের মুখে এই কথা শুনে লজ্জায় লাল হয়ে ওঠে পার্বতী। এর মধ্যেই হয় সিঁদুরদান। কিন্তু প্রতাপ সিঁদুর পরিয়ে দেয় রানীকে। হঠাৎ এমনটা হওয়ায় চমকে ওঠে সবাই।

 

 

কিন্তু রাগের বশে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে সোম। যজ্ঞের আগুন থেকে জ্বলন্ত কাঠ বের করে নিয়ে প্রতাপের দিকে তেড়ে যায় সে। প্রতাপের সঙ্গে বিয়ে কি শেষমেশ মেনে নেবে রানী? কী হবে আগামী পর্বে? 

 

 

আসলে গল্পে স্নেহের বোনেদের বড় করে ভাল ঘরে বিয়ে দেওয়াই সোমের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্যপূরণে সোমের পাশে দাঁড়ায় বড়বোন রত্না। সে পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা। নিজের একটা স্কুল গড়ে কোলার স্বপ্ন রয়েছে দুচোখে। যারা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত তাদেরকে শিক্ষিত করতে চায় রত্না। মেজবোন রেশমি একজন খাদ্যপ্রেমী। সে আবার খাবার দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। ইংরেজিটা অতটা ভাল নয়, কিন্তু ফড়ফড় করে ইংরাজি বলতে সে একেবারে মরিয়া। সোমের সেজবোন রানী হল পরিবারের স্তম্ভ, যাকে বলে হোম মিনিস্টার। বেড রুম থেকে রান্নাঘর তার দখলে। পরিবারে সকলের ছোটবোন রিমলি। সে দাদার নয়ণের মণি। এই চার বোন ও দাদার গল্পই পর্দায় ফুটে উঠছে। কিন্তু সবার মধ্যে রানীর সঙ্গেই এমনটা হল। বোনের ভবিষ্যৎ কীভাবে গড়বে সোম? রানীর প্রতি সঠিক বিচার কি করতে পারবে সে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।