ফাস্ট্যাগের বার্ষিক পাসের ফি বাড়াল ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষ থেকে এই নতুন হার কার্যকর হবে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে বেসরকারি গাড়ির মালিকদের এই পাসের জন্য দিতে হবে ৩,০৭৫ টাকা। আগে এই পাসের দাম ছিল ৩,০০০ টাকা।
2
7
গত ১২ মার্চ জারি করা একটি সরকারি নির্দেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। নতুন এই ফি প্রযোজ্য হবে অ-বাণিজ্যিক গাড়ির ক্ষেত্রে। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি, জিপ এবং ভ্যানের মালিকরা এই পাসের সুবিধা নিতে পারবেন।
3
7
ফাস্ট্যাগের বার্ষিক পাস প্রকল্পটি চালু হয় ২০২৫ সালের স্বাধীনতা দিবসের দিন। মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় সড়কে নিয়মিত যাতায়াতকারী গাড়িচালকদের সুবিধা দেওয়া। একই সঙ্গে ডিজিটাল টোল সংগ্রহ ব্যবস্থা আরও বাড়ানো।
4
7
এই পাস সক্রিয় থাকলে কোনও গাড়ি জাতীয় সড়কের টোল প্লাজা সর্বাধিক ২০০ বার পার হতে পারবে। অথবা পাস চালু হওয়ার দিন থেকে এক বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। এই দু'টির মধ্যে যেটি আগে শেষ হবে, সেই অনুযায়ী পাসের মেয়াদ শেষ হবে। বিশেষ বিষয় হল, ভিন্ন ভিন্ন টোল প্লাজায় আলাদা ফি থাকলেও এই পাস ব্যবহার করলে আলাদা করে টোল দিতে হয় না।
5
7
কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারী এই বার্ষিক পাস ব্যবহার করছেন। জাতীয় সড়কে বেসরকারি গাড়ির প্রায় ২৮ শতাংশ টোল লেনদেন এখন এই পাসের মাধ্যমেই হচ্ছে।
6
7
২০১৬ সালে চালু হওয়ার পর থেকেই ফাস্ট্যাগ দেশে টোল পরিশোধের প্রধান পদ্ধতি হয়ে উঠেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট প্রায় ১১.৮৬ কোটি ফাস্ট্যাগ ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫.৯ কোটি ফাস্ট্যাগের সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে জাতীয় সড়কের টোল প্লাজাগুলিতে সংগৃহীত মোট টোল রাজস্বের ৯৮ শতাংশেরও বেশি ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে আদায় হয়।
7
7
এই বার্ষিক পাসের জন্য আবেদন বা নবীকরণ করা যাবে রাজমার্গ যাত্রা অ্যাপ এবং এনএইচএআই ও মন্ত্রকের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। ফাস্ট্যাগের-সংযুক্ত অ্যাকাউন্টে লগইন করে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ইউপিআই, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড কিংবা নেট ব্যাঙ্কিং-এর মাধ্যমে টাকা জমা দিলেই পাস সক্রিয় হবে। সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই পাস কার্যকর হয়ে যায়।