কপিলের ছবি নিয়ে গণ্ডগোল 

কপিল শর্মা অভিনীত কমিক ক্যাপার ‘কিস কিসকো প্যার করুণ ২’ ফের বড়পর্দায় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন বহু দর্শক। শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ছবিটি ফের মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। যাঁরা প্রথমবার প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি দেখতে পারেননি, তাঁদের মধ্যে উত্তেজনাও ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই আশা ভেস্তে গেল। ছবির রি-রিলিজ বাতিল করে দেওয়া হয়েছে একেবারে শেষ লগ্নে। সূত্রের খবর, “‘কিস কিসকো প্যার করুণ ২’-এর স্টুডিয়ো পার্টনার ও ডিস্ট্রিবিউটর স্টার স্টুডিও১৮ আশ্বাস দিয়েছিল, দ্বিতীয়বার মুক্তির সময় ছবিটি প্রায় ৫০০টি স্ক্রিনে দেখানো হবে। কিন্তু বাস্তবে তারা মাত্র ২০০ থেকে ২৫০টি স্ক্রিনই নিশ্চিত করতে পেরেছে। তার উপর অধিকাংশ শো-টাইম ছিল অস্বাভাবিক সময়ের। এই ধরনের রিলিজে সন্তুষ্ট ছিল না প্রযোজনা সংস্থা ভেনাস। তাই বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারির সন্ধ্যাতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ছবিটি আর রি-রিলিজ করা হবে না।”

সূত্র আরও জানায়, ছবিটি প্রথম মুক্তি পেয়েছিল গত ১২ ডিসেম্বর। কিন্তু তখনই ‘ধুরন্ধর’, ‘অবতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এর মতো বড় ছবির দাপটে প্রেক্ষাগৃহ থেকে দ্রুত সরিয়ে নিতে হয় ‘কিস কিসকো প্যার করুণ ২’-কে। ভেনাস মনে করেছিল, পর্যাপ্ত শো না পাওয়ার কারণেই ছবিটি সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারেনি। সেই কারণেই পরে আরও ভালো সময়ে ছবিটি ফের মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

 

আলিয়ার টক্সিক মুগ্ধতা 

যশের জন্মদিনেই মুক্তি পেয়েছে ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন আপস’ ছবির টিজার। আর মুক্তির পর থেকেই তা কার্যত ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অ্যাকশন-প্যাকড এই টিজার একদিকে যেমন ইন্টারনেটকে দুই ভাগে ভাগ করেছে, তেমনই দর্শকদের কৌতূহল এবং প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের নাম।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘টক্সিক’-এর টিজার শেয়ার করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন আলিয়া। মাত্র একটি শব্দেই তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ, “ডায়নামাইট”। সঙ্গে জুড়ে দেন দু’টি আগুনের ইমোজি। শুধু তাই নয়, ক্যাপশনে ছবির পুরো কাস্ট ও ক্রুদেরও ট্যাগ করেন তিনি। আলিয়ার এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু জোরালো প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই নজর কেড়েছে অনুরাগীদের।

 


ইমরান-সিদ্ধান্ত

দশ বছর পর ফের অভিনয়ে ফিরছেন ইমরান খান। ভূমি পেডনেকর ও গুরফতেহ পীরজাদা অভিনীত ‘অধুরে হম অধুরে তুম’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় নতুন অধ্যায় শুরু করছেন অভিনেতা। তবে এই প্রত্যাবর্তন একেবারেই নিজের শর্তে। কোনও পিআর টিম বা ম্যানেজার ছাড়াই। ইমরান জানিয়ে দিয়েছেন, ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরে এলেও তিনি আর সেই বলিপাড়ার পুরনো নিয়মে ফিরতে চান না।

এক সাক্ষাৎকারে ইমরান বলেন,“আমি এমন সময়ে কাজ করেছি, যখন আমার পিআর আর ম্যানেজার ছিল। সেই দুনিয়াটা আমি দেখেছি, বুঝেছি। এখন আর ওই জিনিসগুলো চাই না।”তিনি স্পষ্ট করেন, কেন তিনি সচেতনভাবেই স্বাধীনভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইমরানের মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে সব সময় ‘প্রপচারে’ থাকা এবং লাগাতার কাজ করে যাওয়ার চাপ অনেক সময় অভিনেতাদের এমন সিদ্ধান্তে ঠেলে দেয়, যেগুলোর সঙ্গে তাঁরা আদৌ একমত নন। তাঁর কথায়,“একজন ম্যানেজারের আয় নির্ভর করে আপনাকে কতটা নিয়মিত কাজে লাগাতে পারছেন তার উপর। তার মানে, এমন কাজেও ঠেলে দেওয়া হতে পারে, যেগুলো আপনি করতে চান না। আমি নিজে নিজের কাজ খুঁজে নিতে চাই।”

বর্তমান বলিউডের প্রচার-কেন্দ্রিক সংস্কৃতি নিয়েও অস্বস্তির কথা লুকোননি ইমরান। তাঁর মতে, এই প্রচারের খেলায় জড়িয়ে পড়া মানে কার্যত সেটি আরেকটি চাকরি। অভিনেতার ভাষায়,“ঘন্টার পর ঘন্টা কৌশল তৈরি করা হয়, ফলাফল বিশ্লেষণ করা হয়। এখন দর্শকরাও সবকিছু প্রচারের চোখে দেখতে অভ্যস্ত। সব কিছুর ক্ষেত্রেই প্রশ্ন ওঠে, ‘এটা কি প্রচার করা যায়?’ আমি সেই দুনিয়া থেকে দূরে থাকতে চাই, নিজের মতো করে, নিজের গতিতে কাজ করতে চাই।”