পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ১২ দিন। এখনও বন্ধ হরমুজ প্রণালী। জ্বালানি তেল, গ্যাসের দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে ভারতে। এবার প্রভাব পড়তে চলেছে কৃষিকাজেও। যুদ্ধ আরও কয়েক মাস চললে বাড়তে পারে চাষের খরচ।
2
8
কেন? রাষ্ট্রায়ত্ত ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড কেমিক্যালস ট্রাভানকোর লিমিটেডের এক কর্মকর্তা সর্তক করেছেন, এই যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও কয়েক মাস চললে ভারতে সারের সঙ্কট তৈরি হবে।
3
8
হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে আরব আমিরশাহি, কাতার, সৌদি আরব এবং ওমান থেকে ভারতে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। এই দেশগুলি থেকেই এই প্রণালী দিয়ে
ভারতে নাইট্রোজেন সার আমদানির আনুমানিক ৬৩ শতাংশ আসে।
4
8
ইউরিয়া এবং অ্যামোনিয়া অন্তর্ভুক্ত এবং ডিএপি বা ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেটের ৩২ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলি থেকেই। যদিও ইরান থেকে ভারতে সার আমদানি করা হয় না।
5
8
২০২৪ সালে আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব এবং কাতার থেকে সবমিলিয়ে ২৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ইউরিয়া কিনেছিল ভারত। সেখানেই শুধুমাত্র ইরান থেকে ২.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সার আমদানি করেছিল ভারত।
6
8
হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে ইরান তো বটেই, আরব আমিরশাহি, কাতার, সৌদি আরব এবং ওমান থেকেও সার আমদানি করতে পারবে না ভারত। যা ঘিরে ক্রমেই সারের ঘাটতি তৈরি হবে।
7
8
পশ্চিম এশিয়ায় ইতিমধ্যেই ইউরিয়ার দাম চড়চড়িয়ে বাড়তে শুরু করেছে। ইউরোপে অ্যামোনিয়ার দাম প্রতি টনে ৭২৫ ডলারে পৌঁছেছে। রাশিয়াতেও এখন উৎপাদন কমে গেছে। কাতারে সালফার উৎপাদন কমেছে। সবমিলিয়ে বিশ্বজুড়েই সারের সঙ্কট তৈরি হয়েছে।
8
8
সূত্রের খবর, প্রতি মাসে ২০ লক্ষ টন সার বিদেশ থেকে আমদানি হয় ভারতে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে ইউরিয়ার দাম একধাক্কায় কয়েক গুণ বাড়তে পারে। ফলে ভারতে চাষের খরচ অনেকটাই বাড়তে পারে ফসল উৎপাদনের আগামী মরশুম থেকে।