নিজস্ব সংবাদদাতা: নতুন বছর। নতুন শুরু। একেবারে নিজস্ব ছন্দেই ২০২৫-কে বরণ করলেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত। সমাজমাধ্যমে বর্ষবরণের একটি পোস্ট করেছেন তিনি, যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় " নতুন বছর, নতুন অনুভব, নতুন সম্ভাবনা কিন্তু একই রয়েছে সব স্বপ্ন। নতুন শুরু।"
তবে কি নতুন বছরে 'নতুন কাজ'-এর ইঙ্গিত দিলেন স্বস্তিকা? আজকাল ডট ইন এ প্রশ্ন রাখতেই অভিনেত্রীর সহাস্য জবাব, "না, না কোনও নয়া প্রজেক্টের সঙ্গে বিন্দুমাত্র যোগ নেই এ পোস্টের। একজন অভিনেত্রী হিসেবে নতুন বছরের অর্থ আমার কাছে নতুন করে একটি গল্পের শুরু, নতুন সব চরিত্রদের আনাগোনা। নতুন স্বপ্নের উড়ান। আর ব্যক্তিজীবনে এই বছরে আরও ধৈর্য্যশীল হতে চাই। চাই আরও সহ্যশক্তি আরও বাড়ুক, কারণ যে পেশায় আছি সেখানে অনেকদূর পর্যন্ত এগোতে হলে এই গুণটি দরকার ভীষণভাবে।"
কথায় কথায় উঠল 'ভাগ্যলক্ষ্মী' ছবির প্রসঙ্গ। ছবিতে একজন অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় অভিনয় করলেও তাঁর চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি তো সচরাচর কোনও ছবি, ওটিটি সিরিজে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় অভিনয় করেন না, তাহলে মৈনাক ভৌমিকের এই ছবিতে নিয়মটা বদলালেন কেন? মিষ্টি হেসে অভিনেত্রীর জবাব, " হ্যাঁ, আমি ছোট চরিত্রে অভিনয় করি না। কিন্তু আমার চরিত্র আর মৈনাক— এই দুইয়ের আকর্ষণে রাজি হয়েছি। মৈনাক ভৌমিকের কাজ তো বটেই, ওঁর ব্যক্তিত্বেরও আমি ভক্ত। ছবিতে লোকনাথ দে, ঋত্বিক চক্রবর্তী, শোলাঙ্কি রায়ের মতো অভিনেতারা রয়েছেন। শুটিংয়ের ফাঁকে জমিয়ে ওঁদের অভিনয় দেখেছি। ঋত্বিকদার অভিনয়ের আমি ভীষণ ভক্ত। যদিও খুব কম দৃশ্য তবু ওঁর সঙ্গে অভিনয় করাটা একটা প্রাপ্তি। নিজের অভিনয় দক্ষতা বেড়ে যায়।"
প্রসঙ্গত, স্বস্তিকা বরাবরই তাঁর নিজের মতো। চলেন নিজের মর্জিতে, নিজের ছন্দে। গত বছর পুজোয় দেবীবরণ করা নিয়েও খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। স্বস্তিকা বলেছিলেন, “ ইচ্ছে ছিল বরণ করার। করেছি।
এ বছর মায়ের থেকে একটু বেশি শক্তি দরকার। একটু বেশি আশীর্বাদ ও ভালবাসা দরকার। যত বড় হচ্ছি, নিজের ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধও বাড়ছে। সেই জন্যই মায়ের হাতটা মাথার উপর দরকার। হঠাৎই ঠিক করলান মাকে বরণ করব। কোনও পরিকল্পনা ছিল না। পরিকল্পনা করে আমি যা-ই করি, সেগুলো ভেস্তে যায়। তবে এই বরণের অনুভূতি অসাধারণ।
















