ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াক করা তাঁর অভ্যাস। অন্যথা হয়নি শনিবারও। এদিনই আবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তার আগে আজকাল ডিজিটালের মুখোমুখি হলেন দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ–শুভেন্দু মধুর সমীকরণ
আপনাদের ধারণা কারুর জন্য কারুর গুরুত্ব বাড়ে বা কমে। দল ঠিক করে কাকে কখন গুরুত্ব দেবে। আরেকটা কথা। আমার মন্ত্রিত্ব বা দপ্তর এখনও ফাইনাল হয়নি। যা হচ্ছে সব সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাই দেখে মানুষ বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে। তাদের তাড়া করে বের করতে হচ্ছে। দল শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক করেছে। সেই অনুয়ায়ী শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন। তার সঙ্গে শুক্রবার রাজভবনে কিছু ক্যাবিনেট মন্ত্রীর নাম জমা পড়েছে।
শুক্রবারের স্পেশাল ছবি। আপনি এবং মুখ্যমন্ত্রী একই গাড়িতে
পার্টি চায় আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এত পরিশ্রম করে জয় পেয়েছি। মানুষ নিরাশ হবেন না এটুকু আশা করি। ভাল কাজ হবে।
পঞ্চায়েত দপ্তর তার গুরুত্ব হারিয়েছিল
সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রথিতযশা এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই দপ্তরে একসময় ছিলেন। উনি কতটা কাজ করতে পেরেছেন আমি জানিনা। ওনার যোগ্যতা অপরিসীম। মেয়র হিসেবে উনি অবিস্মরণীয়। কিন্তু ওই দলে একটাই পোস্ট। বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট ছিল। কাউকে কাজ করতে দেওয়া হত না। সমস্ত সিস্টেম শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাই বাংলার আজ এই দুরবস্থা। বিজেপি উন্নয়নের একটা মডেল সারা দেশে তৈরি করেছে। তাতে ব্যক্তি নয়। দল বড়। দায়িত্ব বড়।
দুর্নীতি এবং অপরাধ দমন নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
মানুষ এটাই চেয়েছিল। তাদের ইচ্ছা আমাদের কাজে প্রতিফলিত হবে। খুব দ্রুত ব্যবস্থা হবে। আপনারাও দেখতে পাবেন।
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে বিজেপির শপথ নিতে কেটে গেল ৭৫ বছর
এটার জন্য ৭৫ বছর অপেক্ষা করেছি। তার স্বপ্ন অবশেষে সফল হয়েছে। ৩২১ দলীয় কর্মীর প্রাণ গেছে। মানুষ আশীর্বাদ করেছেন। বহু মানুষ যারা তৃণমূলকে আটকাতে বিজেপিকে সমর্থন দিয়েছে।
চন্দ্রনাথ কাণ্ডে এখনও কেউ গ্রেপ্তার নয়
বাংলার রাজনীতিতে এরকম হাজার হাজার খুন হয়েছে। আমরা সবাইকে বিচার দেওয়ার চেষ্টা করব।















