আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে এসপি-র কথা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু আমার বক্তব্য অন্য। যেভাবে এই ঘটনা করানো হয়েছে। এটা কোনও সাধারণ অপরাধীর কাজ নয়। যে হাতিয়ার দিয়ে মারা হয়েছে সেখান থেকে স্পষ্ট এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র আছে। শপথ গ্রহণের আগে আইনশঙ্খলা নষ্ট করার জন্য এটা একটি বড় ষড়যন্ত্র। রাজ্যের পরিস্থিতি সুবিধার নয়। বিগত মুখ্যমন্ত্রী সংবিধানের ওপর প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছেন। সমস্ত কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান করা হচ্ছে। রাজ্যে ভোটে হিংসা এবং ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতেই মানুষ বিজেপি সরকারকে ভোট দিয়ে জিতিয়ে নিয়ে এসেছে। এই জয় সাধারণ মানুষের জয়। এমন ঘটনা ঘটে যাওয়ায় সকলেই দুঃখিত। বিজেপির তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। জিতেছি আমরা, মরেছিও আমরা। নতুন সরকার গঠনের পর এবিষয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’ 


প্রসঙ্গত, মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় বুধবার রাতে খুন হয়েছেন শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ। খবর পেয়ে রাত ১২টার পর হাসপাতালে পৌঁছন শুভেন্দু। রাজ্য বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বও একে একে সেখানে যান। চন্দ্রনাথের স্ত্রী এবং মেয়ের সঙ্গে রয়েছেন তাঁরা। চন্দ্রনাথ রথের স্ত্রীর সঙ্গে মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত।


শুভেন্দু বলেন, "আমি ভগ্ন হৃদয় নিয়ে এসেছি এখানে। আমাদের জনপ্রতিনিধিদের কিছু মানুষের ওপর নির্ভর করতে হয়। ওঁ অরাজনৈতিক ব্যক্তি। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওঁ ছিল না। আমরা এই মুহূর্তে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব না। আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করছি, রাজ্য পুলিশের ডিজি এসেছিলেন। আমাকে এবং সুকান্ত মজুমদারকে জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতি দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করবেন। গত ২-৩ দিন ধরে একটি ফলস নম্বরপ্লেট লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘোরাঘুরি চলছিল। এটি সম্পূর্ণভাবে পূর্বপরিকল্পিত, ঠান্ডা মাথায় খুন।"  

&t=136s