আজকাল ওয়েবডেস্ক: বানভাসি মালদার মানিকচকের ভূতনি। প্রায় সব বাড়িতেই ঢুকেছে জল। দিন কাটছে হয় ছাদ নয় বাঁধের ওপর। আবার অনেকেই আছেন ত্রাণ শিবিরে। যাতায়াতের ভরসা বলতে নৌকা। দায় কার? এই নিয়ে কাজিয়া মন্ত্রী বনাম সাংসদের।
রাজ্যের সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, 'রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে। কেউ ত্রাণ না পেলে টোল ফ্রি নম্বরে যোগাযোগ করলে সেই মানুষের কাছে বা জায়গায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না। মালদার দুই সাংসদকে এই পরিস্থিতিতে দেখাও যাচ্ছে না। সাংসদ খগেন মুর্মূকে সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা গঙ্গা ভাঙন নিয়ে জানিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা মানুষের সঙ্গে ছলচাতুরি করছেন।'
পাল্টা জবাবে খগেনের দাবি, 'সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমাকে কোনও ইঞ্জিনিয়ার চিঠি দেয়নি। কেন্দ্রের কাছেও রাজ্য কোন আবেদন করেনি। মালদা জেলার একটি বড় সমস্যা হল গঙ্গা ভাঙন। আমরা চাই ভাঙন রোধে সমস্ত রাজনৈতিক দল এগিয়ে আসুক।' ভূতনিতে তিনটি পঞ্চায়েত এলাকায় খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। গত একমাস ধরে সেই শিবিরে বাস করছেন বানভাসি বাসিন্দারা। থানায় যাতায়াত করতে গেলে একমাত্র ভরসা নৌকা। গারদ থেকে শুরু করে ওসির ঘর, পুরোটাই জলমগ্ন। থানার গাড়িগুলিকে জলের থেকে রক্ষা করার জন্য রাখা হয়েছে ভূতনি ব্রিজে।
