মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানি তাঁদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য পরিচিত হলেও, তাঁরা কট্টর নিরামিষাশী এবং ঘরে রান্না করা খাবারই বেশি পছন্দ করেন।
2
11
মুকেশ একবার বলেছিলেন যে তিনি সাধারণ ডাল, রুটি ও ভাত ভালবাসেন। তবে থাই খাবারও তাঁর বেশ পছন্দের। আর মজার ব্যাপার হল, প্রতি রবিবার তাঁদের জন্য ইডলি-সাম্বার বরাদ্দ থাকে।
3
11
এবার আসা যাক মজার অংশে। আম্বানিদের রুটি প্রস্তুতকারকের গল্পে। বিশ্বাস করুন বা না করুন, মুকেশ আম্বানির বাড়িতে যিনি রুটি বানান, সেই রাধুঁনি মাসে ২ লক্ষ টাকা আয় করেন!
4
11
আপনার মনে হতে পারে ২ লক্ষ টাকার বেতন ‘হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি’র ফরোয়ার্ডের মতো শোনাচ্ছে, কিন্তু এটা সত্যি!
5
11
এটই বিপুল টাকা ছিল গত বছরের বেতন, তাই এখন তা আরও বেড়েও থাকতে পারে। তাহলে, এত বিশাল বেতনের কারণ কী?
6
11
এখানে কাজ করতে হলে হোটেল ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি প্রয়োজন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আম্বানির বাড়ি অ্যান্টিলিয়ার রুটি প্রস্তুতকারক মাসে ২ লক্ষ টাকা আয় করেন। বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকা।
7
11
অ্যান্টিলিয়ায় ৬০০-র বেশি কর্মচারী রয়েছে। তাই প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য রান্না করতে হয়। এটা অনেকটা প্রতিদিন একটি বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করার মতো।
8
11
রান্নাঘরের কর্মীরা সব কর্মী এবং অতিথিদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪,০০০ রুটি তৈরি করেন। এই কারণেই রুটি প্রস্তুতকারকের চাকরিতে এত মোটা অঙ্কের বেতন দেওয়া হয়।
9
11
আম্বানিরা তাদের ১৫,০০০ কোটি টাকা মূল্যের ২৭-তলা বাড়ির একটি গোটা তলা শুধুমাত্র তাদের কর্মীদের জন্য বরাদ্দ করেছেন। ২ লক্ষ টাকার এই বেতনটি রুটি তৈরির বিভাগের প্রধান শেফের জন্য।
10
11
অন্যান্য কর্মীরা এই শেফের অধীনে কাজ করেন এবং তাঁদের বেতন অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বের ওপর নির্ভর করে। এই রুটিগুলি মূলত ৬০০ জন কর্মী এবং উপস্থিত অতিথিদের সকালের জলখাবারের জন্য তৈরি করা হয়।
11
11
এই বিপুল সংখ্যক যে হাতে তৈরি করা হয় তা নয়। অ্যান্টিলিয়ায় অত্যাধুনিক রুটি তৈরির মেশিন রয়েছে। সেই মেশিন ব্যবহার করে হাজার হাজার রুটি তৈরি করে।