আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে তাঁর যে মাসিক পেনশন পাওয়ার কথা, তা নেবেন না যাদবপুরের সিপিআইএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সেক্রেটারি জেনারেলকে চিঠি লিখে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন প্রবীণ এই আইনজীবী। চিঠিতে বিকাশরঞ্জন জানিয়েছেন, রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য হিসেবে তিনি কোনও আর্থিক পেনশন গ্রহণ করতে আগ্রহী নন। তাঁর ইচ্ছে যাতে সংসদীয় রেকর্ডে প্রতিফলিত হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন এই সিপিআইএম নেতা।
এবার আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে বিধানসভা নির্বাচনের যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে সিপিআইএম। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটেও ওই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। তবে পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীর কাছে। এরপর ফের নির্বাচনী ময়দানে বিকাশ।
পেনশন কেন নেবেন না তিনি? সংবাদ মাধ্যমে বিকাশ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তাঁর পেনশনের প্রয়োজন নেই। তাই তিনি সেটা নেব না। এই সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর সিদ্ধান্ত।
গত ৮ এপ্রিল মনোনয়ন পেশ করেছেন বিকাশবাবু। কমিশনকে দেওয়া হলফনামা যাদবপুরের সিপিআইএম প্রার্থী জানিয়েছেন, তাঁর হাতে ৬৭ হাজার ৩৯১ টাকা নগদ রয়েছে। তাঁর নামে স্থায়ী আমানত, পিপিএফ-সহ মোট সাতটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এর মধ্যে একটি রাজ্যসভার সাংসদ তহবিলের অ্যাকাউন্ট। বিনিয়োগও রয়েছে তাঁর। বিকাশের স্ত্রী ইভা ভট্টাচার্যের নামেও রয়েছে মোট চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তাঁর হাতে নগদ রয়েছে ২২ হাজার ৮৫০ টাকা। স্ত্রীর কাছে ৩ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে এই বাম নেতার।
দু’টি গাড়ি রয়েছে বিকাশরঞ্জনের। তাঁর স্ত্রীর কাছে রয়েছে মোট ৬০০ গ্রাম সোনার গয়না, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লক্ষ ৯ হাজার ৮০০ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, বিকাশের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৪ কোটি ২৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৮৮ টাকা। তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৫২ হাজার ৬৪৯ টাকার।
বিকাশের নিজের নামে কোনও সম্পত্তি বা বাড়ি নেই। তবে তাঁর স্ত্রীর নামে দু'টি বাড়ি রয়েছে, যার মোট মূল্য ৫ কোটি ১৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৮০ টাকা।















