সোশ্যাল মিডিয়া বদলে দিচ্ছে মস্তিষ্কের গঠন, অল্পবয়সীদের ব্যাপক ক্ষতি, গবেষণায় চাঞ্চল্য
নিজস্ব সংবাদদাতা
১৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৫ : ২৩
শেয়ার করুন
1
12
গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেসব শিশু (১০-১৩ বছর বয়সী) সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় কাটায়, তাদের মনোযোগ কম।
2
12
আত্ম-নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা কমছে এবং দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হচ্ছে৷ গবেষকরা ‘অ্যাডোলসেন্ট ব্রেইন কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট স্টাডি’ নামক সমীক্ষায় ৭,৬১৪ জন শিশুর তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন।
3
12
এই সমস্ত শিশুর বয়স ছিল ১০-১৩ বছর। তারা প্রতিদিন গড়ে কত ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটায় সেই তথ্য খতিয়ে দেখা হয়েছিল।
4
12
এই গবেষণা করেছিলেন লেখক এবং ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর পেডিয়াট্রিক্সের সহযোগী অধ্যাপক জেসন নাগাতা।
5
12
তিনি গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, কিশোর কিশোরীদের খাওয়ার সমস্যা হচ্ছে৷ এটা দেখেই তিনি সমাজমাধ্যম নিয়ে গবেষণার কথা ভাবেন।
6
12
দেখা গিয়েছে, এই সব কিশোর কিশোরীদের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটায়। এদের মধ্যে অদ্ভুত অবাস্তব শারীরিক ক্রিয়াকলাপ এবং ওজন বিষয়ক ভিডিও দেখার প্রবণতা বেশি৷
7
12
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কী প্রভাব পড়ছে তখন অধ্যাপক গবেষণা করতে থাকেন৷ ব্যক্তির মানসিক বিকাশের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। এই বিষয়টি অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কারণে কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করেন গবেষকেরা৷
8
12
তথ্য বিশ্লেষণের পর গবেষকরা দেখেছেন যে, প্রতিদিন বেশি পরিমাণে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সঙ্গে মোট কর্টিক্যালের আয়তন এবং পুরুত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে৷
9
12
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার এবং সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির ফলে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স, টেম্পোরাল লোব, অক্সিপিটাল লোব এবং প্যারাইটাল লোব জুড়ে কর্টেক্স অর্থাৎ মস্তিষ্কের বাইরের আবরণ পাতলা হয়ে যাচ্ছে৷
10
12
এই অংশগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ফলে কোনও বিষয় ভেবে পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে, কোনও পরিস্থিতিতে আত্মনিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে, কোনও বিষয় মনে মনে চিন্তা করার ক্ষেত্রে এবং মনোযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিস্তর সমস্যা হচ্ছে৷
11
12
গবেষণায় দেখা গিয়েছে অধিক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের গঠন বদলে যাচ্ছে৷ বর্তমানে এই গবেষণা চলছে৷
12
12
এই সমীক্ষায় যে সব কিশোর কিশোরীরা অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মস্তিষ্কে সময়ের সঙ্গে কী পরিবর্তন আসে তা পর্যবেক্ষণ করতে বেশ কয়েক বছর ধরে তাদের ওপর নজর রাখার পরিকল্পনা করেছেন গবেষকেরা৷