আজকাল ওয়েবডেস্ক: জ্যোতিপ্রিয় মারা গেলে এফআইআর করব। বৃহস্পতিবার একদিকে যখন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে চলছে ইডির তল্লাশি সেই সময় স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এদিন তিনি বলেন, 'জ্যোতিপ্রিয়র স্বাস্থ্য খারাপ। সুগার আছে। যদি মারা যায় তবে বিজেপি এবং ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর করব।'
এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র বিধাননগরের বাড়ি, নাগেরবাজারে তাঁর আপ্তসহায়কের বাড়ি মিলিয়ে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন ইডি আধিকারিকরা। আমহার্স্ট স্ট্রিটে জ্যোতিপ্রিয়র পৈতৃক বাড়িতেও তল্লাশি করেন ইডি আধিকারিকরা। রাজ্যে রেশন বন্টন দূর্নীতি মামলার তদন্তে এই তল্লাশি বলেই জানা গিয়েছে। মমতার কথায়, জেলায় জেলায় যখন নেতা-মন্ত্রীরা কার্নিভালে ব্যস্ত তখন জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে তল্লাশি চলছে। এদিন এই তল্লাশি প্রসঙ্গে বিজেপির দিকে আঙুল তুলে মমতা বলেন, 'একটাও বিজেপি নেতা-মন্ত্রীদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে? একটাও বিজেপির চোরদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে?' মমতার অভিযোগ, 'কেউ কিছু বললেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নোংরা খেলা চলছে। এভাবে মুখ বন্ধ করা যাবে না।'
তাঁর অভিযোগ, তল্লাশির নামে শাড়ি-কসমেটিক্সের ছবি তুলছে ইডি। উল্লেখ্য, এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ইডি অভিযান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরব হলেও দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রসঙ্গে একটি শব্দও খরচ করেননি তিনি।
এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র বিধাননগরের বাড়ি, নাগেরবাজারে তাঁর আপ্তসহায়কের বাড়ি মিলিয়ে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন ইডি আধিকারিকরা। আমহার্স্ট স্ট্রিটে জ্যোতিপ্রিয়র পৈতৃক বাড়িতেও তল্লাশি করেন ইডি আধিকারিকরা। রাজ্যে রেশন বন্টন দূর্নীতি মামলার তদন্তে এই তল্লাশি বলেই জানা গিয়েছে। মমতার কথায়, জেলায় জেলায় যখন নেতা-মন্ত্রীরা কার্নিভালে ব্যস্ত তখন জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে তল্লাশি চলছে। এদিন এই তল্লাশি প্রসঙ্গে বিজেপির দিকে আঙুল তুলে মমতা বলেন, 'একটাও বিজেপি নেতা-মন্ত্রীদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে? একটাও বিজেপির চোরদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে?' মমতার অভিযোগ, 'কেউ কিছু বললেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নোংরা খেলা চলছে। এভাবে মুখ বন্ধ করা যাবে না।'
তাঁর অভিযোগ, তল্লাশির নামে শাড়ি-কসমেটিক্সের ছবি তুলছে ইডি। উল্লেখ্য, এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ইডি অভিযান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরব হলেও দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রসঙ্গে একটি শব্দও খরচ করেননি তিনি।
















