আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে উঠে এসেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে তরজা চলেছে দিনভর। এই আবহেই প্রাক্তনীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের কথা ঘোষণা করল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রাক্তনীদের সম্মানার্থে এই পুরস্কার চালুর কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মোট পাঁচটি ক্ষেত্রে প্রাক্তনীদের সম্মান প্রদান করা হবে। সেগুলি হল- 'অ্যাকাডেমিয়া অ্যান্ড রিসার্চ', ‘কর্পোরেট লিডারশিপ’, ‘এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ’, ‘পাবলিক লাইফ অ্যান্ড ফিলানথ্রপি’ এবং ‘আর্টস, লিটারেচর অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ এক্সপ্রেশন’। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সমস্ত প্রাক্তনী জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আঙিনায় উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন, তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে এই 'ডিস্টিগুইশড অ্যালামনি-জেইউ অ্যাওয়ার্ড'। একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটির তরফে পুরস্কারের জন্য বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। জাতীয় স্তরের নানা নামী ব্যক্তির দ্বারা গঠিত হবে কমিটি। প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং যথাযথ রাখার দায়িত্ব থাকবে 'আসের-জেইউ' সেলের উপরে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আজকাল ডট ইনকে বলেন, "প্রাক্তনীদের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্যেই এই পুরস্কার চালুর ভাবনা। প্রতি বছর সমাবর্তনের সময়ে প্রাক্তনীদের সম্মান প্রদর্শন করে তুলে দেওয়া হবে 'ডিস্টিগুইশড অ্যালামনি-জেইউ অ্যাওয়ার্ড'।"
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর থেকেই প্রাক্তনীদের এই সম্মান দেওয়া হবে। আগামী মে মাসেই প্রাক্তনীদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে প্রক্রিয়া। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে কিছুদিনের মধ্যেই। প্রাক্তনীদের উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য এই স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও উৎসাহিত করবে বলে আশা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
উল্লেখ্য, শুক্রবার নির্বাচনী প্রচারের পানিহাটি এবং বারুইপুরে জনসভা করেন মোদি। বারুইপুরের জনসভা থেকে এ দিন তাঁর বক্তৃতার মাঝেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর দাবি মেধা নয়, দেশবিরোধী কার্যকলাপের পীঠস্থান হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, "কেন্দ্রের কোনও সাহায্য ছাড়াই এখনও দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে যাদবপুর। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। যুবক-যুবতীরা আমাদের গর্ব। "















