আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার কানপুরের গ্রীন পার্কে শেষ হল ভারত বাংলাদেশ টেস্ট। বৃষ্টিতে প্রায় আড়াই দিনের খেলা ভেস্তে গেলেও অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে নাটকীয় জয় পেয়েছে ভারত। তবে বৃষ্টির পর মাঠ ঠিক সময়ে না শুকানোয় প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কানপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে।
তবে এই প্রথম নয়। এর আগে ২০৪৪ সালের নভেম্বর এই কানপুরের গ্রীন পার্কেই ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পড়েছিলেন শচীন তেন্ডুলকার। ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ম্যাচের শেষ দিনে ঘটে ঘটনাটি। জামাল পাশা নামে এক যুবক লোডেড পিস্তল নিয়ে মাঠের নিরাপত্তারক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন।
দ্বিতীয় সেশন চলাকালীন, পাশা ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমে প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং শচীন তেন্ডুলকারের কাছে চলে যান। সেই সময় একজন ক্যামেরাম্যান তাঁর ক্যামেরায় পাশাকে বন্দুক হাতে দেখতে পান। তিনিই দ্রুত খবর দেন পুলিশকে। পাশা যখন প্রেস বক্সের দিকে যাচ্ছিলেন, সেখানে উপস্থিত নিরাপত্তা কর্মীরা তাঁকে আটক করতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, যুবকটি মত্ত অবস্থায় ছিলেন এবং নিজেকে কানপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাইমুদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে বলে দাবি করেন। তার কাছ থেকে একটি .38 ক্যালিবার রিভলভার উদ্ধার করা হয়, যা মাঠের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
