আজকাল ওয়েবডেস্ক: আগামী মাসের ৭ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে জাতীয় দলের সমস্ত প্রস্তুতি বন্ধ করে দিতে বলল পিসিবি। 

এবারের বিশ্বকাপ হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। সব দল যখন তুলির শেষ টান দিতে তৈরি, সেখানে পাকিস্তান প্র্যাকটিস বন্ধ করে দিল। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, সেই সম্পর্কে পরবর্তীকালে জানানো হবে। 

মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। মুস্তাফিজুর ইস্যুতে বিসিবি স্থির করেছে তারা ভারতের মাটিতে  গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না। 

এবার বিসিবি-র পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের উপরে চাপ বাড়ানোর খেলা শুরু করেছে। 

পাকিস্তান ক্রিকেট দল যদি শেষপর্যন্ত ভারতে খেলতে না আসে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করা হবে। 

বাংলাদেশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রিকেটার, তাদের সমর্থক, মিডিয়াকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে ভারতে। 

পাকিস্তান মনে করছে বাংলাদেশের এহেন চিন্তা একদম সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের পাশে রয়েছে পাকিস্তান। 

এদিকে খবর ছড়িয়েছিল বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ইস্যুর সমাধান যদি না হয়, তাহলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে কিনা তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করবে। 

দিনকয়েক আগে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো আয়োজন করতে ইচ্ছুক পাকিস্তান। পাক সংবাদমাধ্যমের  প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিসিবি ইতিমধ্যেই আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের সঙ্গে এবিষয়ে যোগাযোগ করেছে।
যদিও ভেন্যু সরানোর আবেদন জানিয়ে বিসিবি যে চিঠি পাঠিয়েছিল আইসিসি-কে, তার উত্তরে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, এক মাসের মধ্যে ভেন্যু বদল করা কঠিন। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে শেষ হুঁশিয়ারি দিয়ে দিল আইসিসি।

আইসিসির তরফে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ভারতে খেলতে রাজি না হলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় কম ব়্যাঙ্কিংয়ের কোনও দলকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

 আইসিসি ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছে বিসিবিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাড়া না পেলে বাংলাদেশের জায়গায় অন্য কোনও দলকে বিশ্বকাপে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।

বাংলাদেশে বিসিবির সঙ্গে বৈঠক হয় আইসিসির প্রতিনিধি দলের। সেখানে বিসিবি একটি ব্যতিক্রমী প্রস্তাব রাখে। তারা চেয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের গ্রুপ পরিবর্তন করতে, যাতে ভারত সফর এড়ানো যায়।

এই প্রস্তাবের একদিন পরেই আইসিসি এই আল্টিমেটাম দিয়েছে বিসিবিকে। এই বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের মাটিতে খেলতে বাংলাদেশের অনিচ্ছা।