আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় চুক্তি নিয়ে আবার নতুন করে ভাবতে পারে বিসিসিআই। গত মাসে প্লেয়ারদের চুক্তি থেকে এ প্লাস ক্যাটাগরি সরিয়ে দিয়েছে বোর্ড। যুক্তি দেওয়া হয়, এই গ্রেডের জন্য যথাযথ প্রার্থী নেই। তবে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, চুক্তির গ্রেড নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারে বোর্ড। যাতে ধারাবাহিক প্লেয়ারদের আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়তে হয়। এই তালিকায় একনম্বরে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। ২০১৮-১৯ মরশুম থেকে টানা এ প্লাস ক্যাটাগরিতে আছেন তারকা পেসার। আগের নিয়ম অনুযায়ী, এ প্লাস ক্যাটাগরিতে থাকা প্লেয়াররা বার্ষিক চুক্তি অনুযায়ী ৭ কোটি পায়। গ্রেড এ পায় ৫ কোটি। গেড বি এবং সি যথাক্রমে পায় ৩ এবং ১ কোটি। এবার বিভিন্ন ক্যাটাগরির অর্থ জানায়নি বিসিসিআই।
তিন ফরম্যাটে খেলা প্লেয়ারদের জন্য গ্রেড এ প্লাস ক্যাটাগরি রাখা হয়। পাশাপাশি কোনও এক ফরম্যাটে বিশ্বের সেরা দশের মধ্যে থাকা বাধ্যতামূলক। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং রবীন্দ্র জাদেজা টি-২০ থেকে অবসর নেওয়ায় শুধু বুমরা বাকি ছিল। তিন ফরম্যাট খেলা সত্ত্বেও তাঁকে এবার গ্রেড এ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়। বর্তমানে শুধুমাত্র যশপ্রীত বুমরা, শুভমন গিল এবং রবীন্দ্র জাদেজা এই বিভাগে আছে। বুমরার যাতে কোনও আর্থিক ক্ষতি না হয়, সেই চেষ্টা করছে বোর্ড। তাঁর বার্ষিক চুক্তির অঙ্ক ৭ থেকে ৫ কোটিতে নামিয়ে আনা যে ঠিক নয়, সেটা উপলব্ধি করেছে। এছাড়াও অনেকেই রয়েছে যারা ভাল খেলা সত্ত্বেও সঠিক গ্রেডে নেই। সেই কারণেই পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।
অক্ষর প্যাটেলের চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। টি-২০ এবং একদিনের দলের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলেও গ্রেড সিতে রাখা হয় তাঁকে। যার বার্ষিক মূল্য এক কোটি। সেই নিয়েও ভাবনাচিন্তা করা হতে পারে। গত বছর সাদা বলের ক্রিকেটে অন্যতম সফল বছর ভারতের। তার ভিত্তিতেই চুক্তি হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটে মিশ্র ফল পায় ভারত। ঘরের মাঠে এবং অস্ট্রেলিয়ায় ব্যর্থতা থাকলেও, ইংল্যান্ডে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ড্র হয়। আশ্চর্যের বিষয় হল, ২০২৫ সালে টি-২০ তে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকায় ১১ নম্বরে ছিলেন অক্ষর। ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন। এর ভিত্তিতে গ্রেড এ বা বিতে উঠে আসতে পারতেন। ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী অন্তত বিতে। এবার হয়ত তেমনই ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। এছাড়াও কেএল রাহুল, মহম্মদ সিরাজ, হার্দিক পাণ্ডিয়া, ঋষভ পন্থকে গ্রেড এ থেকে বিতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। টেস্ট এবং একদিনের ক্রিকেটে ধারাবাহিক রাহুল। সিরাজ এবং পন্থ টেস্টে অনবদ্য ছিল। হার্দিকও ভারতের একদিনের এবং টি-২০ দলের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। তবে প্লেয়ারদের চোটের বিষয়টিকে এবার গুরুত্ব দিয়েছে বিসিসিআই। তাঁরা যাতে এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
