আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৪৭ বলে অপরাজিত ১০০। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শতরান। আইপিএলে প্রথম একশো ফিন অ্যালেনের। শুরুর ব্যর্থতা কাটিয়ে অবশেষে ফেরে টি-২০ বিশ্বকাপের ঝলক। ঘরের মাঠে সাফল্য পাননি। শেষমেশ দিল্লির কঠিন পিচে পেলেন রান। শুরুতে যে রান তোলা খুব সহজ ছিল না, মেনে নিলেন ফিন। তাই চেয়েছিলেন উইকেট কামড়ে পড়ে থাকতে। ফিন অ্যালেন বলেন, 'শুরুতেই উইকেট হারানোয় আমাকে দায়িত্ব নিতে হয়েছে। প্রথমদিকে উইকেট কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমাদের স্ট্র্যাটেজি ছিল ভাল জায়গায় পৌঁছে শেষপর্যন্ত ব্যাট করা। কঠিন সময় টিকে থেকে, নিজেকে একটা সুযোগ দিতে চেয়েছিলাম। কয়েকটা ইনিংসে ভাল শুরু করেও, বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারিনি। হতাশ হয়েছিলাম। ব্যক্তিগত সাফল্য পেয়ে ভাল লাগছে।'
নাইটদের জার্সিতে ব্যর্থতা তাঁকে হতাশ করে। কয়েকটি ইনিংসে ভাল শুরু করেও বড় রান করতে পারেননি। দল থেকে বাদ পড়েন। সেটাই তাঁর জেদ বাড়িয়ে দেয়। অবশেষে ব্যাক্তিগত সাফল্য পেয়ে খুশিতে ডগমগ। ফিন অ্যালেন বলেন, 'পরিস্থিতি তেমন হলে, নিজের ব্যাটিং ভুলে ফোকাস সিচুয়েশনে চলে যায়। আমি জানতাম আমাকে বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকতে হবে। সচরাচর ৪০ বল ক্রিজে টিকে থাকার ঘটনা খুব বেশি ঘটে না। কখনও বাদ পড়লে, দৃষ্টিকোণ বদলে যায়। মানসিকভাবে চাঙ্গা হয়ে আবার ফেরা যায়। আমি নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ নিয়ে ফেলছিলাম।'
ফিন অ্যালেনকে শতরান করার সুযোগ দেন ক্যামেরুন গ্রিন। জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২ রান। নিজে মাত্র এক রান নিয়ে ফিনকে শতরান করার সুযোগ করে দেন। কিউয়ি সতীর্থের সাফল্যে খুশি অস্ট্রেলিয়ান। গ্রিন বলেন, 'বিশেষ শতরান। নন স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকার খুব বেশি সুযোগ পাওয়া যায় না। ফিন শুধু বলেছিল, পরের ওভারে দেখা হবে। আমি দ্বিতীয় ব্যাটারের ভূমিকা পালন করি। জানতাম ফিনকে শতরান করতে না দিলে, কলকাতায় আমাকে সবাই ঘৃণা করবে। এখান থেকে আমাদের প্রত্যেক ম্যাচ জিততে হবে।'
শুরুতে হোঁচট খাওয়ার পর, দলের টানা সাফল্যে খুশি কেকেআরের অধিনায়ক। অজিঙ্ক রাহানে বলেন, 'আমি অ্যালেনের জন্য খুশি। ও হিমশিম খাচ্ছিল। কঠোর পরিশ্রম করে। বোলারদের প্রশংসা করতে চাই। ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে। বিশেষ করে স্পিনার এবং ডেথ বোলাররা। ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করার চেষ্টা করছি। আমরা প্রথম পাঁচ ম্যাচেও ভাল খেলছিলাম। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময় কাজে লাগাতে পারছিলাম না। বোলিং কোচদের কৃতিত্ব প্রাপ্য। ওরা বোলারদের পেছনে খুব খাটছে।' রাহানে জানান, বরুণের চোট নিয়ে বাড়তি চিন্তার কোনও কারণ নেই।















