আজকাল ওয়েবডেস্ক: জঘন্য ব্যাটিং দিল্লি ক্যাপিটালসের। ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্পিনারদের কাছে আত্মসমর্পণ। দারুণ বল করেন সুনীল নারিন, অনুকূল রায় এবং বরুণ চক্রবর্তী। ইনিংসের মিডল ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট হারায় দিল্লি। ইনিংসের মাঝের ওভারে ৩৫ বলে মাত্র ১২ রান তুলতে সক্ষম হয়। ৩৮ বলে কোনও বাউন্ডারি হয়নি।আইপিএলে শেষবার এমন কবে হয়েছিল জানা নেই। শেষদিকে দলের মান কিছুটা বাঁচান আশুতোষ শর্মা। অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ওভারের শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালসের রান ১৪২। জয়ের জন্য নাইটদের প্রয়োজন ১৪৩ রান। খুব বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়া উচিত নয় রাহানেদের। শেষ পাঁচের মধ্যে মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে দিল্লি। অন্যদিকে জয়ের হ্যাটট্রিকের পর টানা চতুর্থ জয়ের লক্ষ্যে নাইটরা। তবে অল্প রান কখনও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। এই উইকেটে অন্তত ১৬০-১৬৫ রান তোলা উচিত ছিল দিল্লির।
টসে জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠান অজিঙ্ক রাহানে। সিদ্ধান্ত সঠিক। যদিও শুরুটা ভালই করে দিল্লি। প্রথম উইকেটে ৪৯ রান যোগ করে কেএল রাহুল এবং পথুম নিশঙ্কা জুটি। দু'জনেরই আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন। বরাবরই অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের উইকেট মন্থর। তাই শুরুতেই অনুকূল রায়কে বল দেন রাহানে। নারিনকেও আনেন পাওয়ার প্লেতেই। কিন্তু দিল্লি শিবিরে প্রথম ধাক্কা দেন কার্তিক ত্যাগী। ফেরত পাঠান ফর্মে থাকা রাহুলকে। ১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন। পাওয়ার প্লের শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান ছিল দিল্লির।
মিডল অর্ডার ডাহা ব্যর্থ। দুই অক্ষরের রানে পৌঁছতে পারেনি কোনও ব্যাটার। ব্যর্থ নীতিশ রানা, সমীর রিজভী, ট্রিস্টান স্ট্যাবস এবং অক্ষর প্যাটেল। একমাত্র সফল পাথুম নিশঙ্কা। ২৯ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছে যান শ্রীলঙ্কার ব্যাটার। ইনিংসে ছিল ৩টি ছয়, ৫টি চার। অর্ধশতরান করার পরের বলেই আউট হন নিশঙ্কা। শেষদিকে ২৮ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রান করেন আশুতোষ শর্মা। কিন্তু আরও কয়েক ওভার আগে রান বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত ছিল। শেষ ওভারে মাত্র তিন রান। দারুণ বল করেন কার্তিক ত্যাগী। ৪ ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেন। দুই উইকেট পান অনুকূল রায়ও। চোট নিয়ে খেলেন বরুণ চক্রবর্তী। কোনও উইকেট পাননি। এক উইকেট নেন সুনীল নারিন।















