আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাত্র আট মাসেই কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন জেসন গিলেসপি। পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের।
প্রসঙ্গত, গ্যারি কার্স্টেন সরে যাওয়ার পর ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের টেস্ট দলের কোচ হয়েছিলেন গিলেসপি। কিন্ত আট মাসের মধ্যেই কোচের পদ থেকে ইস্তফা দেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার। কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তা অবশেষে জানিয়েছেন গিলেসপি।
এক সাক্ষাৎকারে গিলেসপি বলেছেন, পাক ক্রিকেট বোর্ড এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে তিনি অপমানিত বোধ করেছিলেন। তাই আর কোচের দায়িত্বে থাকতে চাননি গিলেসপি। এমনকী সহকারী কোচের পদ থেকে টিম নিয়েলসনকে সরিয়ে দেওয়ার সময়ও পাক ক্রিকেট বোর্ড তাঁর সঙ্গে কোনও কথা বলেনি বলে জানিয়েছেন গিলেসপি। এইসব কারণেই তিনি অপমানিত হয়ে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ওই সাক্ষাৎকারে ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। এক ভক্ত গিলেসপিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তিনি পাকিস্তান কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। উত্তরে গিলেসপি বলেন, ‘আমি শুধুমাত্র পাকিস্তানের টেস্ট দলের কোচ ছিলাম। আমাদের দলের সহকারী কোচকে ছাঁটাইয়ের সময় আমার সঙ্গে এক বারও কথা বলেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আরও অনেক বিষয় ছিল। অপমানিত বোধ করছিলাম। ওই পরিস্থিতিতে দায়িত্ব সামলানো যায় না। তাই ইস্তফা দিয়েছিলাম।’
তবে এটাও ঘটনা, পাকিস্তানের টেস্ট দলের কোচ হয়ে গিলেসপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দলকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। কিন্তু তা পারেননি। দেশের মাটিতে বাংলাদেশের কাছে ০–২ হারে পাকিস্তান। যদিও পরে দেশের মাটিতেই ইংল্যান্ডকে ২–১ হারায় পাকিস্তান। প্রথম টেস্টে হারের পর পরের দুই টেস্ট জেতে তারা। কিন্তু পাক বোর্ডের সঙ্গে শুরু থেকেই ঝামেলা হচ্ছিল গিলেসপির। দল নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে বোর্ড হস্তক্ষেপ করছিল বলে অভিযোগ করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন পেসার। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর দায়িত্ব ছেড়ে দেন তিনি। কিন্তু কেন ছেড়েছিলেন তা জানালেন এতদিন পর।
এদিকে, সিডনি টেস্টের পরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন উসমান খোয়াজা। জানিয়ে দিয়েছেন ৩৯ বছরের অজি ওপেনার।
দেশের হয়ে এখনও অবধি ৮৭ টেস্ট খেলেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। সিডনি হবে তাঁর ৮৮ তম টেস্ট। ২০১১ সালে এই সিডনিতেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল খোয়াজার। সেই মাঠেই খেলবেন বিদায়ী টেস্ট।
