আজকাল ওয়েবডেস্ক: লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে খেলেননি হার্দিক পাণ্ডিয়া। পিঠের চোটের জন্য বিশ্রাম নেন। ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি হার্দিক। পরের ম্যাচে রায়পুরে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মুখোমুখি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। পিঠের চোট এতটাও গুরুতর নয়, যার জন্য বিরাট কোহলিদের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না। কিন্তু এদিন দলের সঙ্গে দেখা যায়নি হার্দিককে। একটি সর্বভারতীয় ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার মুম্বই বিমানবন্দরের টার্মিনাল ওয়ানে দলের সঙ্গে দেখা যায়নি হার্দিককে। পরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন কিনা সেই নিয়েও কোনও খবর নেই। 

ফর্মের ধারেকাছে নেই মুম্বইয়ের অধিনায়ক। আট ম্যাচে মাত্র ১৪৬ রান করেন। স্ট্রাইক রেট ১৩৬.৪৫। বল হাতেও ব্যর্থ। তাই দলের সঙ্গে হার্দিকের না যাওয়া নিয়ে জল্পনা বেড়েছে। অনেকের ধারণা, শুধুমাত্র চোটের জন্য নয়, তাঁর দলের বাইরে থাকার অন্য কারণ আছে। লখনউ ম্যাচ না খেলতে পারার পর মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, 'হার্দিক পাণ্ডিয়ার পিঠে চোট আছে। তাই এই ম্যাচে আমাদের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।' হার্দিকের চোট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর সতীর্থ রায়ান রিকেলটন জানান, তাঁর কাছে বিশেষ তথ্য নেই। তিনি বলেন, 'আমি জানি না কবে দলে ফিরবে। আমি ম্যাচের কিছুক্ষণ আগে জানতে পেরেছি ওর পিঠের চোটের কথা। তাই আমি জানি না চোট কতটা গুরুতর। তবে আশা করছি, রায়পুরে দলের সঙ্গে যোগ দেবে।' 

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে গুজরাট টাইট্যান্সকে চ্যাম্পিয়ন করেন হার্দিক। পরের বছর তাঁর নেতৃত্বে রানার্স হয়। তাই তাঁকে অধিনায়ক করে মুম্বই। তবে রোহিত শর্মার থেকে ব্যাটন নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ধাক্কা খান। ১০ দলের মধ্যে শেষে শেষ করে মুম্বই। হোম গ্রাউন্ড ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাঁকে কটাক্ষ করা হয়। ২০২৫ সালে কিছুটা ভাল জায়গায় শেষ করে মুম্বই। কিন্তু এবছর আবার যে কে সেই! ১০ ম্যাচে মাত্র তিনটে জয়। প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। লাগাতার খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে হার্দিককে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি ওঠে। কিন্তু হার্দিকের পাশেই থাকছে ম্যানেজমেন্ট।