জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, মানুষের জীবনে একেক সময় একেক গ্রহের 'দশা' বা প্রভাব বেশি থাকে।
2
14
এই সময়গুলো কখনও খুব ভাল যায়, আবার কখনও নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন মানসিক চাপ, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন বা সম্পর্কের সমস্যা।
3
14
গ্রহের দশার প্রভাব সামলাতে অনেকেই নির্দিষ্ট ক্রিস্টাল বা রত্নপাথর ব্যবহার করেন। সহজ ভাষায়, এগুলোকে এমন এক ধরনের সহায়ক বস্তু বলা যায়, যা মানসিকভাবে শক্তি ও ইতিবাচকতা বাড়াতে সাহায্য করে।
4
14
প্রতিটি গ্রহের জন্য আলাদা পাথর ধরা হয়। সেই অনুযায়ী রত্ন ধারণ করা জরুরি।
5
14
সূর্যের দশা খারাপ গেলে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে। তখন রুবি বা সানস্টোন ব্যবহার করলে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।
6
14
চন্দ্রের প্রভাবে মন খারাপ, অস্থিরতা বা দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। এই সময় মুনস্টোন বা মুক্তো ব্যবহার করলে মন শান্ত রাখতে সহায়তা করে।
7
14
মঙ্গলের দশায় রাগ, তাড়াহুড়ো বা অস্থিরতা বেশি দেখা যায়। তখন রেড জ্যাসপার বা কার্নেলিয়ান ব্যবহার করলে শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে সাহায্য করে।
8
14
বুধের দশা খারাপ হলে মনোযোগ কমে যেতে পারে বা যোগাযোগে সমস্যা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে গ্রিন অ্যাভেনচুরিন বা পান্না (এমেরাল্ড) উপকারী বলে ধরা হয়।
9
14
বৃহস্পতির সময় ভাগ্য ও জ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদি এই গ্রহ দুর্বল হয়, তাহলে হলুদ পুখরাজ (ইয়েলো স্যাফায়ার) বা সিট্রিন ব্যবহার করলে ইতিবাচকতা বাড়ে বলে বিশ্বাস।
10
14
শুক্রের প্রভাবে ভালবাসা ও সম্পর্ক জড়িয়ে থাকে। এই সময় রোজ কোয়ার্টজ বা হীরা ব্যবহার করলে সম্পর্ক মজবুত হয় বলে মনে করা হয়।
11
14
শনির দশা সাধারণত কঠিন সময় হিসেবে ধরা হয়। ফলে পরিশ্রম, দেরি, বাধা এসব বাড়ে। তখন নীল পুখরাজ (ব্লু স্যাফায়ার) বা অ্যামেথিস্ট ব্যবহার করলে ধৈর্য বাড়ে।
12
14
রাহু ও কেতু ছায়া গ্রহ, এদের প্রভাবে বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে। রাহুর জন্য গোমেদ আর কেতুর জন্য ক্যাটস আই ব্যবহার করা হয়।
13
14
এই পাথরগুলো ব্যবহার করার আগে পরিষ্কার করা খুব জরুরি। জল দিয়ে ধোওয়া বা কিছুক্ষণ রোদে রাখা যেতে পারে। তারপর আংটি, লকেট বা হাতে রাখলেও ব্যবহার করা যায়।
14
14
তবে একটা কথা মনে রাখা দরকার। এই সব পাথর মূলত বিশ্বাস ও মানসিক শক্তির উপর কাজ করে। তাই এগুলোকে সহায়ক হিসেবে দেখা ভাল, জীবনের সমস্যার একমাত্র সমাধান হিসেবে নয়।