আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, তারাও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করতে চান। সরকারের সঙ্গে আলোচনার পরে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন রশিদ লতিফের গলাতেও মহসিন নকভির সুর। তিনিও পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের আবেদন করেছেন। বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ। পাকিস্তানও যদি না থাকলে, তাহলে বিশ্বকাপের গুণগত মানও কমে যাবে।
বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে যাওয়ায় স্কটল্যান্ড ঢুকে পড়েছে মেগাটুর্নামেন্টে। এবার পাকিস্তানও যদি সরে যায়, তাহলে কে সেই জায়গা নেবে?
রশিদ লতিফ বলেন, বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে পরিবর্ত দল হিসেবে আইসিসি হয়তো উগান্ডাকে নেবে। আহমেদাবাদের ১ লক্ষ ৩২ হাজারের স্টেডিয়ামে ভারত আর উগান্ডার ম্যাচ হবে।
ভারত-উগান্ডার ম্যাচ দেখতে ক'জন আর আসবেন মাঠে? বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে ছেঁটে ফেলার পরে পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে। আইসিসি-র দ্বিচারিতায় অসন্তুষ্ট নকভি। এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাস্তায় হাঁটার দিকেই কি এগোচ্ছে পাকিস্তান? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কি বয়কট করবে পাকিস্তানও? এমন পরিস্থিতিতে নকভি জানিয়েছেন, পাকিস্তান বিশ্বকাপ বয়কট করবে কিনা, তা সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থির হবে।
নকভির এহেন দাবির পরেই আইসিসি একপ্রকার হুমকি দিয়ে রাখে পাকিস্তানকে। পাকিস্তানও যদি সেই রাস্তা নেয়, তাহলে তাদের সবক শেখানো হবে।
আইসিসি-র তরফ থেকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ বয়কটের দাবিতে অনড় থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরোপ হতে পারে নিষেধাজ্ঞাও।
সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল বিশ্বকাপ থেকে নয়, এশিয়া কাপ, বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল, পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি বা এনওসি না দেওয়ার মতো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে।
এহেন অবস্থায় পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, ''পাকিস্তান বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে সব হিসেব গোলমাল হয়ে যাবে। তখন এটা আর বিশ্বকাপ বলে মনেই হবে না। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ হতে পারে, তবে বিশ্বকাপের কৌলিন্য নষ্ট হবে।''
পাকিস্তানও যদি খেলতেনা চায়, তাহলে ক্রমতালিকায় থাকা উগান্ডা পরিবর্ত দল হিসেবে বিশ্বকাপ খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যাবে। আর ভারত বনাম উগান্ডা ম্যাচটা হবে আহমেদাবাদে। সেই ম্যাচের কি গুরুত্ব থাকবে?
