আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে নতুন বছর উদযাপন করলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর।
বর্তমানে জাতীয় দলের দায়িত্ব থেকে ছোট্ট বিরতিতে রয়েছেন তিনি। লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের একাধিক ছবি গম্ভীর নিজেই ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন।
জানা গিয়েছে, আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হোয়াইট-বল সিরিজের ঠিক আগে আবার ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি।
নতুন বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। তারপরেই পরেই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। কিউইদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ, সামনেই আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের জন্য দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। সেই একই দল খেলবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ জেতার পর ঘরের মাঠে ওডিআই এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখাই ভারতের লক্ষ্য।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে ফের খেলতে দেখা যাবে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে। ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তাঁরা চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতেও কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন, যা তাঁদের ঘরোয়া ক্রিকেটে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে।
?hl=en
তবে নতুন নছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে এই স্বল্প বিরতি গৌতম গম্ভীরের জন্য ইতিবাচক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে কৌশল ও সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। টেস্ট, ওডিআই ও টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটেই তাঁর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে টেস্ট দল বেশ ধাক্কা খেয়েছে, যদিও ওডিআই ও টি-টোয়েন্টি দলে তুলনামূলকভাবে পরিস্থিতি ভাল ছিল। একাধিক বার প্রশন উঠেছে দল নির্বাচন নিয়েও।
বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি দলে শুভমান গিলকে জোর করে ওপেনার হিসেবে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রবল সমালোচনা হয় গম্ভীরের। বিশ্বকাপের ঠিক আগে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নির্বাচকরা গিলকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন। এর ফলে আবারও ফিরতে চলেছে বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা।
২০২৪–২৫ মরশুমে এই জুটি অসাধারণ পারফরম্যান্স করলেও গিলকে জায়গা দিতে গিয়ে সেই জুটি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দলকে ছন্দে ফেরানোই এখন গম্ভীরের প্রধান লক্ষ্য।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভারত বিশ্বকাপে ফেভারিটদের তালিকায় রয়েছে এবং ইতিহাস গড়ে প্রথম দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে তারা।
