আজকাল ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সকালে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পরই বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। নতুনকে আহ্বান জানান তারকা ক্রিকেটার। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তা দেন তৃণমূল সরকারের ক্রীড়া দফতরের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী। নিজের ফেসবুকে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, 'বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারী স্যারকে অভিনন্দন।' নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ওপর অগাধ ভরসা প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারের। তাঁকে 'জননেতার' অ্যাখ্যা দেন। লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, 'শুভেন্দু অধিকারী জননেতা। লড়াই করে যেভাবে উঠে এসেছেন, কুর্নিশ যোগ্য।' একসময় ভারত এবং বাংলার হয়ে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেন লক্ষ্মী। তারপর বাংলার কোচের দায়িত্ব নেন। তাঁর কোচিংয়ে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে খেলে বাংলা। তারই মাঝে খেলোয়াড় জীবনের পর রাজনীতিতে প্রবেশ করেন লক্ষ্মী। রাজ্যের ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
কয়েকদিন আগে বিদায়ী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মনোজ তিওয়ারি। তৃণমূলের এই বিদায়ী বিধায়ক মঙ্গলবার বলেন, 'তৃণমূল অধ্যায় শেষ আমার।' তাঁর অভিযোগ, পাঁচ কোটি টাকা না দেওয়ায় তৃণমূল এবার তাঁকে শিবপুর কেন্দ্রে টিকিট দেয়নি। তৃণমূলের এই হারে বিন্দুমাত্র অবাক নন মনোজ। বলেছেন, 'এই বিপর্যয়ে আমি বিন্দুমাত্র অবাক নই। এমনটা হওয়ারই ছিল। একটা দল দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়ে গিয়েছিল। কোনও ক্ষেত্রেই কোনও উন্নয়ন হয়নি।' মনোজের অভিযোগ, 'এবার তৃণমূলের টিকিটে লড়ার জন্য এক একজন পাঁচ কোটি করে দিয়েছেন। আমাকেও বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করেছিলাম। একবার দেখুন তো টাকার বিনিময়ে টিকিট পেয়ে কতজন ভোটে জিতেছেন।' মনোজ বলেছেন, 'তৃণমূলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শেষ।' মনোজ আরও বলেন, '২০১৯ সালে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। দিদি আমাকে বলেছিলেন। তখন আমি আইপিএল খেলছি। বাংলার হয়েও খেলছিলাম। তৃণমূলে যোগদানের পর ২০২১ সালে ভোটে দাঁড়িয়ে জিতেছিলাম।' রাজ্যের ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন মনোজ।















