মিষ্টি কাবাব থেকে নারকেল চিংড়ি, খাদ্যরসিক রবীন্দ্রনাথের প্রিয় খাবারের তালিকায় ছিল কোন কোন পদ?
নিজস্ব সংবাদদাতা
৯ মে ২০২৬ ১২ : ৪৩
শেয়ার করুন
1
15
আজ ২৫ বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মদিন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাঙালির মন ও মননে আজও তিনি একই জায়গায় রয়েছেন।
2
15
কবিগুরুকে নিয়ে শুধু বাঙালি নয়, আপামর বিশ্ববাসীর কৌতূহলের শেষ নেই। রবীন্দ্রনাথের নামের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে ‘খাদ্যরসিক’ শব্দটিও।
3
15
যদিও কবিগুরু কোন খাবারটি পছন্দ করতেন, সে বিষয়ে বিস্তর বাদানুবাদ রয়েছে। তবে তিনি যে খাবারের বিষয়ে বেশ সচেতন ছিলেন তা বিভিন্ন লেখনীতে স্পষ্ট বিবরণ রয়েছে।
4
15
শোনা যায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নানা ধরনের খাবার ভালোবাসতেন এবং কখনও কখনও নিজ হাতে রান্নাও করতেন। তবে সাধারণ সাদামাঠা নয়, বিভিন্ন ধরনের খাবার নিয়ে বিশেষ করে মাছ ও মিষ্টির ফিউশন পদ পছন্দ করতেন তিনি।
5
15
তারই মধ্যে আজ এই বিশেষ দিনে জেনে নেওয়া যাক কবিগুরুর প্রিয় খাবারের তালিকায় কী কী ছিল।
6
15
সুরথি মিঠা কাবাবঃ এটি এক ধরনের মিষ্টি মুরগির মাংসের পদ। চিনি, কিসমিস, ছোট করে কাটা আমন্ড, জাফরনের মিশ্রণে তৈরি হয়। আমিষ মিষ্টির এই পদটি রবীন্দ্রনাথের সবসময়ের প্রিয় খাবার ছিল।
7
15
ডিম দিয়ে ছোলার ডাল কারিঃ পরিচিত ছোলার ডাল দিয়েই এক অনবদ্য পদ ভালবাসতেন কবিগুরু। মশলাদার ডাল ও ডিম দিয়ে তৈরি হয় এই কারি। এতে থাকত খানিকটা মিষ্টির ছোঁয়াও।
8
15
নারকেল চিংড়িঃ নারকেল এবং চিংড়ির মিলমিশের কথা সকলেরই জানা। নারকেলের দুধে পোস্ত ও সরষে বাটার সঙ্গে চিংড়ির এই পদ বরাবরই ভালবাসতেন রবীন্দ্রনাথ।
9
15
চন্দ্রপুলিঃ ঠাকুমা-দিদিমারা বাড়িতেই বানাতেন চন্দ্রপুলি। তবে এখন দোকানের মিষ্টিই ভরসা বাঙালির। বিশ্বকবিরও এই চাঁদ আকৃতির মিষ্টি পছন্দের তালিকায় ছিল। নারকেল কুড়িয়ে খোয়া ক্ষীর, গুঁড়ো চিনি ও কর্পূর দিয়ে তৈরি হয় এই মিষ্টি।
10
15
ভাপা ইলিশঃ মাছের পদকে কখনও পিছনে রাখতেন না রবীন্দ্রনাথ। বিশেষ করে ইলিশের যে কোনও পদ যেমন ইলিশের ঝোল, ভাপা ইলিশ ছিল রবিঠাকুরের প্রিয় খাবারের তালিকায়।
11
15
কাঁচা আম দিয়ে মাংসঃ কাঁচা আমের সঙ্গে দই ও পাঠার মাংসের সঙ্গে বিভিন্ন মশলার কারসাজিতে তৈরি হত এই পদ। যা কবিগুরু গরমকালে খেতে খুবই পছন্দ করতেন।
12
15
আইরিস স্টুঃ দেশ-বিদেশের যাতায়াতের সময় রবীন্দ্রনাথ এই পদটি খেতে পছন্দ করতেন। যা আলু ও পেঁয়াজের সঙ্গে মাটন কিংবা ল্যাম্প দিয়ে তৈরি করা হত।
13
15
পনির দিয়ে বেকড ম্যাকরনিঃ ঠাকুরবাড়ির সদস্যরা অনেক পাশ্চাত্য পদ বেশ উপভোগ করতেন। যার মধ্যে অন্যতম পনির ও মশলা দিয়ে বেকড পাস্তা। এই বিশেষ পদটি পূর্ণিমা ঠাকুরের রেসিপির বইতেও উল্লেখ রয়েছে।
14
15
ফ্রুট সালাডঃ বিভিন্ন দেশের প্রভাব রয়েছে ঠাকুরবাড়ির সালাড তৈরিতে। শোনা যায়, বাড়ির সবাইকে নিয়ে জমিয়ে বসে মধ্যাহ্নভোজের পর এই ফ্রুট সালাড খেতে পছন্দ করতেন রবীন্দ্রনাথ।
15
15
পরিবন্ধঃ এটি রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর হাতের এক বিশেষ পদ ছিল। যাকে এলো ঝোলোও বলা হত। গজার মতো দেখতে এই মিষ্টি ময়দা ও চিনির সিরাপ দিয়ে তৈরি করে ডিপ ফ্রায়েড করা হত।