আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৬-২৭ মরশুমের ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য সংশোধিত স্লট বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করল এএফসি। এর মধ্যে রয়েছে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিট, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু এবং এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ।

কোন দেশের ফুটবল সংস্থা কতগুলি দলকে সরাসরি বা প্লে-অফের মাধ্যমে পাঠাতে পারবে, সেই কাঠামোই এই তালিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে। ভারতীয় ক্লাবগুলি এবারও এশিয়ার শীর্ষ স্তরের প্রতিযোগিতা এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিটে জায়গা পায়নি। পরিবর্তে ভারতের জন্য বরাদ্দ হয়েছে দ্বিতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা এসিএল টু-এর দুটি স্লট।

এএফসি-র নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভারতের একটি দল সরাসরি এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর গ্রুপ পর্বে খেলবে। এই জায়গাটি পাওয়ার কথা চলতি মরশুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দলের।

পাশাপাশি আরেকটি দল প্লে-অফ বা কোয়ালিফায়ার খেলার সুযোগ পাবে, যা যাবে সুপার কাপ জয়ী দলের ঝুলিতে। সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় এই কোয়ালিফায়িং স্লট ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে এফসি গোয়া।

মূল পর্বে পৌঁছতে হলে তাদের এএফসি কোয়ালিফায়ার জিততেই হবে। তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বর্তমানে এবারের আইএসএল শিরোপা কারা জেতে তার ওপর সবটা নির্ভর করছে।

বর্তমানে আইএসএল টেবিলের শীর্ষে থাকা মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এএফসি খেলতে পারবে না। গত বছর ইরান না যাওয়ার জন্য এএফসি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে দু’বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে সবুজ মেরুনকে।

ফলে তারা যদি আইএসএল খেতাব জেতে, তাহলে সরাসরি গ্রুপ পর্বের স্লটটি সম্ভবত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের হাতে চলে যাবে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। যদি মোহনবাগান আইএসএল জেতে এবং এফসি গোয়া লিগে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে, তাহলে গোয়াই সরাসরি গ্রুপ পর্বের টিকিট পেতে পারে, কারণ তারা ইতিমধ্যেই সুপার কাপ জিতে প্লে-অফ স্লট অর্জন করেছে।

সেক্ষেত্রে কোয়ালিফায়ার স্লটটি নেমে যেতে পারে লিগের তৃতীয় স্থানে থাকা দলের কাছে। অর্থাৎ, শুধু চ্যাম্পিয়ন হওয়াই নয়, দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে শেষ করলেও এশিয় স্তরে খেলার সুযোগ মিলতে পারে।

ফলে ইস্টবেঙ্গল, বেঙ্গালুরু, জামশেদপুর এবং মুম্বই সিটি এফসির মতো দলগুলিও যতটা সম্ভব লিগ টেবিলের ওপরের দিকে শেষ করতে মরিয়া থাকবে। তবে এবার ছোট ফরম্যাটে হচ্ছে আইএসএল। ফলে, সরাসরি এএফসি খেলার শর্ত পূরণ হচ্ছে না।

সে কারণে স্লট প্রকাশ্যে আসা সত্ত্বেও ভারতীয় ক্লাবগুলিকে সরাসরি সুযোগ দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। তবে এবার ২৪ টিমের বদলে ৩২টি দল নিয়ে এএফসি প্রতিযোগিতা হবে। ফলে, ভারতীয় ক্লাবগুলির কাছে সুযোগ থাকছে এশিয় স্তরে খেলার।