এবার আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন অরোগ্য যোজনার সুবিধা পাবেন বাংলার মানুষও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, শুধুমাত্র রাজ্যেই নয়, গোটা দেশের প্রায় ৩৬ হাজার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত রয়েছে। ফলে বাংলার মানুষ দেশের যে কোনও প্রান্তে গিয়ে এই কার্ডের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
2
8
বাংলার মধ্যে সর্বাধিক বেশি হাসপাতাল রয়েছে কলকাতায়। স্পেশ্যালিটি, সুপার স্পেশ্যালিটি, মাল্টি সুপার স্পেশ্যালিটি সব ধরনের হাসপাতালের ক্ষেত্রেই এই কার্ড গ্রহণযোগ্য হবে। এই প্রকল্পের অধীনে আগামী দিনে কলকাতার বড় বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে প্রায় ২০০০ শয্যা সংরক্ষিত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
3
8
সূত্রের খবর, কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতাল, ডিসান, মণিপাল গ্রুপের অধিনস্ত ঢাকুরিয়া, মুকুন্দপুর, সল্টলেকের হাসপাতালগুলি এই প্রকল্পের অধীনে নাম নথিভুক্ত হয়েছে।
4
8
তালিকায় রয়েছে ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেল্থ (পার্ক সার্কাস), মল্লিকবাজারের ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স, যোধপুর পার্কের অরবিন্দ সেবা কেন্দ্র, কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পিয়ারলেস হাসপাতাল, মেডিকা মাল্টিসুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের মতো নামী হাসপাতালগুলিও।
5
8
শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ৩৬ হাজার ১৯৩টি হাসপাতাল এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে। তার মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের সংখ্যা ১৬ হাজার ৫৫৭।
6
8
এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস স্বাস্থ্যবিমা কভার পাবেন। ফলে চিকিৎসার খরচ নিয়ে আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে সাধারণের।
7
8
এই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, অস্ত্রোপচার, আইসিইউ-র খরচ, ইমপ্ল্যান্ট, হাসপাতালে থাকা ও খাবারের খরচ থাকবে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তিন দিন আগে এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার ১৫ দিন পর পর্যন্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচও কভার করা হয়।
8
8
এই প্রকল্পে পরিবার প্রতি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস স্বাস্থ্য বিমা পাবেন উপভোক্তা। কলকাতার একাধিক সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এখন এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। ফলে আর্থিক সমস্যার কারণে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া আটকে যাওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমবে এবার।