আজকাল ওয়েবডেস্ক: দীপাবলি! চারপাশেই আলোর উৎসবের সমারোহ। শব্দবাজির বাড়াবাড়ি। কিন্তু এটি আপনার পোষ্যের জন্য বেশ কঠিন সময়। পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়ে এখন আতসবাজি নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক জায়গাতেই। কিন্তু কোথাও কোথাও মানুষ এখনও বেপরোয়া। চাই আরও সচেতনতা। তাই এই দীপাবলিতে বাড়ির এবং রাস্তায় চারপেয়ে বন্ধুদের জন্য একটু সচেতন থাকুন।
জোরালো শব্দ শব্দ এবং ক্রমাগত ভয় পোষ্যদের অস্থির করে তোলে। এবং এটি তাদের শ্রবণ ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করতে পারে। আতসবাজি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় তারা বমি করতে পারে। পুজোর সময় ওদের কাছাকাছি যাওয়া মুশকিল। তাই আনন্দ করুন সচেতন হয়েই। কী করবেন?
আপনার পোষা প্রাণীকে বাড়ির ভিতরে রাখুন। যেখানে তাদের কানে বাজির আওয়াজ না পৌঁছয়।
শব্দ কমাতে আপনার বাড়ির সমস্ত জানালা এবং দরজা বন্ধ রাখুন।
আপনার প্রতিবেশীদের পরিবেশ বান্ধব বাজি ব্যবহার করার জন্যও অনুরোধ করতে পারেন। যা কম ক্ষতিকারক এবং কম শব্দ সৃষ্টি করে৷
পশুচিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে পোষ্যকে শান্ত রাখতে আগে থেকেই অ্যান্টি-অ্যাংজাইটি শট দিতে পারেন।
সন্ধের পরিবর্তে, আপনার কুকুরকে দিনের বেলা হাঁটার জন্য নিয়ে যান। যাতে তারা শব্দ এবং ধোঁয়ার সংস্পর্শে না আসে।
প্রচুর তরল জাতীয় খাবার রাখুন পোষ্যদের ডায়েটে। যাতে তারা হাইড্রেটেড থাকে। এতে ওদের উদ্বেগ কমে।
উৎসব শেষ হলে, নিশ্চিত করুন যে আপনার বাড়ির চারপাশের কম্পাউন্ড পরিষ্কার আছে এবং মাটিতে কোনও পোড়া বাজি অবশিষ্ট নেই। এটি তাদের অবাঞ্ছিত আঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে সাহায্য করবে।
আপনার পরিবার এবং প্রতিবেশীদেরকে খোলা মাঠে বাজি ফাটাতে অনুরোধ করতে পারেন। যাতে আপনার বাড়ির কাছাকাছি শব্দ কম হয়।
পাশাপাশি রাস্তার কুকুরগুলোকেও একটু খেয়াল রাখুন।
জোরালো শব্দ শব্দ এবং ক্রমাগত ভয় পোষ্যদের অস্থির করে তোলে। এবং এটি তাদের শ্রবণ ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করতে পারে। আতসবাজি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় তারা বমি করতে পারে। পুজোর সময় ওদের কাছাকাছি যাওয়া মুশকিল। তাই আনন্দ করুন সচেতন হয়েই। কী করবেন?
আপনার পোষা প্রাণীকে বাড়ির ভিতরে রাখুন। যেখানে তাদের কানে বাজির আওয়াজ না পৌঁছয়।
শব্দ কমাতে আপনার বাড়ির সমস্ত জানালা এবং দরজা বন্ধ রাখুন।
আপনার প্রতিবেশীদের পরিবেশ বান্ধব বাজি ব্যবহার করার জন্যও অনুরোধ করতে পারেন। যা কম ক্ষতিকারক এবং কম শব্দ সৃষ্টি করে৷
পশুচিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে পোষ্যকে শান্ত রাখতে আগে থেকেই অ্যান্টি-অ্যাংজাইটি শট দিতে পারেন।
সন্ধের পরিবর্তে, আপনার কুকুরকে দিনের বেলা হাঁটার জন্য নিয়ে যান। যাতে তারা শব্দ এবং ধোঁয়ার সংস্পর্শে না আসে।
প্রচুর তরল জাতীয় খাবার রাখুন পোষ্যদের ডায়েটে। যাতে তারা হাইড্রেটেড থাকে। এতে ওদের উদ্বেগ কমে।
উৎসব শেষ হলে, নিশ্চিত করুন যে আপনার বাড়ির চারপাশের কম্পাউন্ড পরিষ্কার আছে এবং মাটিতে কোনও পোড়া বাজি অবশিষ্ট নেই। এটি তাদের অবাঞ্ছিত আঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে সাহায্য করবে।
আপনার পরিবার এবং প্রতিবেশীদেরকে খোলা মাঠে বাজি ফাটাতে অনুরোধ করতে পারেন। যাতে আপনার বাড়ির কাছাকাছি শব্দ কম হয়।
পাশাপাশি রাস্তার কুকুরগুলোকেও একটু খেয়াল রাখুন।
















