ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা সময় মহিলাদের ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, শারীরিক নিগ্রহের খবর আসে। দেশের মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে একাধিক আইন রয়েছে। কিন্তু যদি উল্টোটা ঘটে? কোনও মহিলা দ্বারা যদি কোনও পুরুষ নিগৃহীত হন? ব্যাপারটা বিরল হলেও ঘটে। এই যেমন সম্প্রতি এমনই এক ঘটনা পঞ্জাবের জলন্ধরে ঘটেছে।
পঞ্জাবের জলন্ধরে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে, সেই ব্যক্তির কাছে এক মহিলা এগিয়ে আসেন এবং পথ নির্দেশ জানতে চান। তারপরই তিনি সেই ব্যক্তির মুখে কিছু একটা স্প্রে করে দেন এবং জোর করে গাড়িতে তোলেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন গাড়িতে মোট ৪ জন মহিলা ছিলেন। তাঁরা তাঁকে জোর করে মদ্যপান করান প্রথমে। সেখানেই থেমে থাকেননি তাঁরা। এরপরই চলন্ত গাড়িতে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর।
ভারতে বর্তমানে এমন একাধিক আইন রয়েছে যা মহিলাদের সুরক্ষা দেয়। দেশে এখনও ধর্ষণকে এমন একটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় যা কেবল পুরুষরা মহিলাদের উপর করেন। কিন্তু উল্টোটাও যে ঘটতে পারে বা ঘটে সেটাই যেন এই ঘটনা প্রমাণ করে দিল। কেবল পুরুষরা নন, রূপান্তরকামী, সমকামী মানুষেরাও একই ভাবে এই ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে এমন কিছু ঘটলে ন্যায় বিচার চাইলে গেলে সমস্যায় পড়েন।
পঞ্জাবের এই ঘটনা নতুন করে লিঙ্গবৈষম্য সংক্রান্ত বিতর্ককে উসকে দিয়েছে। মহিলা এবং শিশুদের নিরাপত্তা দেওয়া হলেও, তাঁদের সঙ্গে অন্যায় ঘটলে নির্দিষ্ট আইনের আওতায় এলেও এই ধরনের কিছু ঘটলে দোষীদের কী হওয়া উচিত সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। অনেকেই আবার পুরুষদের রক্ষার স্বার্থে নতুন আইন আনার দাবি করেছেন।















