কোথাও পুজো দিয়ে, বাড়ির সকলের মঙ্গল কামনা করে প্রসাদ বাড়ি আনাই রীতি। পরিবারের সকলেই সেই প্রসাদ ভাগ করে খান। কিন্তু জানেন কি দেশে এমন ৫ মন্দির রয়েছে যার প্রসাদ বাড়ি আনা যায় না, বা উচিত নয়। আনলেই হতে পারে বিপদ! কোন কোন সেই মন্দির জেনে নিন। ছবি: সংগৃহীত
2
6
ভারতের অন্যতম রহস্যজনক মন্দির হল মেহান্দিপুর বালাজি মন্দির। গোটা দেশ থেকে এখানে তীর্থযাত্রীরা আসেন। মনে করা হয় এখানে এসে পুজো দিলে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব কমে জীবন থেকে। দূর হয় নেতিবাচক উর্জা। এটি মূলত হনুমান মন্দির, যেখানে পূজিত হয় তাঁর শৈশব বালাজির রূপ। এই মন্দিরের প্রসাদ বাড়ি আনা যায় না। মনে করা হয় এটি বাড়ি আনলে অজান্তেই যে নেতিবাচক উর্জা মন্দিরে ছেড়ে আসছেন, সেটা আবারও আপনার সঙ্গে বাড়ি চলে আসে। ক্ষতি হয়। ছবি: সংগৃহীত
3
6
৫১ সতীপিঠের অন্যতম হল কামাখ্যা মন্দির। গুয়াহাটিতে অবস্থিত এই মন্দিরে তন্ত্র মতে পুজো করা হয়। এখানকার অম্বুবাচী মেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে এই মন্দিরের ভোগ বা প্রসাদ বাড়ি আনা উচিত নয়। বারণ করা হয়। এখানকার ভোগ বা যা উৎসর্গ করা হয় তাতে এক ঐশ্বরিক এবং শক্তিশালী উর্জা থাকে, যা বাড়ির জন্য শুভ নয়। ছবি: সংগৃহীত
4
6
মধ্য প্রদেশের কাল ভৈরব মন্দির অত্যন্ত বিখ্যাত। এখানে শিবের কাল ভৈরব রুপার পুজো হয়। এখানে যা প্রসাদ বা ভোগ দেবতা উৎসর্গ করছেন সেটা তাঁকেই দিয়ে দেওয়া হয়, এবং সেটাই উচিত। পুজো দিয়ে সেটা বাড়ি আনা কখনই উচিত নয় বলেই প্রচলিত ধারণা। ছবি: সংগৃহীত
5
6
কর্ণাটকের কোটিলিঙ্গেশ্বর মন্দির থাকবে এই তালিকায়। এখানে শত শত শিবলিঙ্গ রয়েছে। বহু বছর বহু ভক্ত এই বিরল মন্দিরে আসেন। তবে এই মন্দিরে যে প্রসাদ বা ভোগ দেওয়া হয় মনে করা হয় সেটার উপর কেবল শিব ভক্ত চন্ডেশ্বরের অধিকার। তাই সেটা খাওয়া বা বাড়ি আনা কখনই উচিত নয়। ছবি: সংগৃহীত
6
6
হিমাচল প্রদেশের নয়না দেবী মন্দিরের প্রসাদ নিয়েও রয়েছে একই রকম ধারণা। এটিও অন্যতম শক্তিপীঠ। একাধিক স্থানীয় রীতি মেনে পুজো হয় মন্দিরে, যার অন্যতম হল এখানে যা পুজো দেওয়া হয় সেটা এখানেই রেখে যাওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত