শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণে কাজ। তিন মাস চলবে এই প্রাপকের নাম নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া। প্রথম দিকে শুধু অফলাইনে আবেদন করা যাচ্ছিল।
2
18
https://socialregistry.wb.gov.in/citizen/# পোর্টালটি চালু থাকলেও সেখান থেকে শুধু ফর্ম ডাউনলোড করা যাচ্ছিল তিনটি ভাষায়। কিন্তু অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছিল।
3
18
৩ জুন থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফর্ম ডাউনলোডও করা যাচ্ছিল না পোর্টাল থেকে। এবার নতুন রূপে হাজির হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার পোর্টাল।
4
18
ঝাঁ চকচকে পোর্টালে খুব সহজেই অনলাইনে আবেদন করা যাবে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকেই। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে হবে আবেদন প্রক্রিয়া।
5
18
সর্বপ্রথম https://socialregistry.wb.gov.in/citizen/# -এ গিয়ে প্রাপকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর দিয়ে ক্যাপচা দিতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে পোর্টালে লগ ইন করতে হবে।
6
18
এরপরেই একটি বিস্তারিত ফর্মের পাতা খুলে যাবে। প্রথম পাতায় প্রাপকের তথ্য পূরণ করতে হবে। প্রথমে পরিবারে প্রদান (HOF) এর নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, সামাজিক বিভাগ, আধারের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা মোবাইল নম্বর, আধারের তথ্য, ঠিকানার মতো যাবতীয় প্রাথমিক তথ্য পূরণ করতে হবে।
7
18
এরপরে পরিবারের সদস্য সংখ্যা লিখলেই বাকি সদস্যদের তথ্য পূরণের জন্য অতিরিক্ত পাতা খুলে যাবে। সেখানে পরিবারের সদস্যদের তথ্য ভরলেই পরবর্তী অপশনে চলে যাওয়া যাবে।
8
18
এরপরে পরিবারের সকলের রেশন কার্ডের তথ্য। পরিবারের সকলের ডিজিটাল রেশ আছে কি না। থাকলেও কোনও ধরনের খাদ্য ভর্তুকি নেওয়া হয়। কার্ডের ধরন কী সেই সম্পর্কিত তথ্য দিতে হবে।
9
18
ফর্মের বাঁ দিকে পর পর তালিকা তৈরি করে দেওয়া আছে যে, কোনটার পর কোন অংশ পূরণ করতে হবে। কোনওটি বাদ দিয়ে কোনও অংশ আগে পরে পূরণ করা যাবে না। সব পর পর এক এক করে করতে হবে।
10
18
এরপরে দিতে হবে সম্পদ সংক্রান্ত বিবরণের তথ্য। বাড়ি আছে কি না, পাকা ঘর ক’টি বাড়িতে। জমি থাকলে তার পরিমাণ, স্বাস্থ্যবিমার তথ্য, দু’চাকা বা চার চাকার গাড়ি আছে কি না জানাতে হবে। এবং এই তথ্য পরিবারের সকল সদস্যের দিতে হবে।
11
18
এর পরবর্তী অপশনে দিতে হবে আয় সংক্রান্ত তথ্য। কেউ আয়কর বা প্রফেশনাল ট্যাক্স জমা দেন কি না, পরিবারের যে সকল সদস্যের প্যান কার্ড রয়েছে সেই সংক্রান্ত তথ্য, কী ধরনের পেশার সঙ্গে যুক্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি।
12
18
এরপরে অপশনে পরিচয়পত্রের প্রমাণ দিতে হবে। যেমন কেউ সিএএ-তে আবেদন করেছেন কিনা, পরিবারের কোনও সদস্য কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প পাচ্ছেন কি না বা কোনও সদস্য এসআইআর-এর ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন কি না তাও জানাতে হবে।
13
18
পরবর্তী অপশনে জানাতে হবে ডিবিটির মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের অনুদান কেউ পাচ্ছেন কি না। সর্বশেষে রয়েছে স্বঘোষণা। আপনি সজ্ঞানে সঠিক তথ্য প্রদান করছেন সেই ব্যাপারে জানাতে হবে। এরপরে সাবমিট করলেই ফর্ম জমা পড়ে যাবে।
14
18
রাজ্যের নারী ও শিশকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, কোনও জটিলতা না থাকলে আবেদনের ৭-৮ দিনের মধ্যে নাম নথিভুক্ত হয়ে যাবে এবং টাকা পেতে শুরু করবেন আবেদনকারী।
15
18
রাজ্যের শর্ত অনুযায়ী, কোনও আবেদনকারী যদি সরকারি বা আধা সরকারি চাকরি করেন, আয়কর দেন বা সরকারি পেনশনভোগী হন তাহলে এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে কিন্তু তাঁরা সিএএ বা এসআইআর ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেননি, তাঁদের টাকা দেওয়া হবে না।
16
18
এই প্রকল্পের বরাদ্দ শুধুমাত্র ভারতীয় মহিলাদের জন্য। বয়স হতে হবে ১৮-৬০ বছর। সিএএ বা এসআইআর ট্রাইব্যুনালে যাঁরা আবেদন করেছেন ইতিমধ্যেই, তাঁদের চিন্তার কিছু নেই। অনুদান পাবেন তাঁরা।
17
18
প্রথমে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন তাঁরাই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন। কিন্তু প্রশাসনের নজরে একাধিক দুর্নীতি ধরা পড়ায় সকলকে ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়েছে।
18
18
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকের তালিকায় অনেক বেনোজল রয়েছে। প্রায় ৩০ লক্ষ নাম বাদ যাবে।