আজকাল ওয়েবডেস্ক: সকাল থেকেই তাড়াহুড়ো। ছোটদের স্কুল- বড়দের অফিস! বাড়িতে থাকলেও কী খাব, আবার এক জনের জন্য রান্না করব, এই সব নানা চিন্তা করে ফুড ডেলিভারি অযাপে খাবার অর্ডার। আর এই ভাবে চলতে গিয়েই বিপত্তি। বাদ পড়ে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় পুষ্টি। কী করবেন?
আধুনিক জীবনধারার অংশ হয়ে উঠেছে ফুড-পার্সেল। অলসতার জন্যে তো বটেই অনেক সময় স্ট্রেস জোনে থাকা মানুষের মধ্যেও এই প্রবণতা বাড়ে। তেমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্ট্রেস মনের শান্তি কেড়ে নেয় এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতার দিকে নিয়ে যায়। যা আপনার শরীরের প্রক্রিয়াগুলিকে ব্যাহত করতে পারে। আপনার কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে। কমিয়ে দিতে পারে রোগ প্রতিরোধের শক্তি। একটি স্বাস্থ্যকর প্রাতঃরাশ আপনার শরীরকে ব্যালান্স করতে সাহায্য করতে পারে। আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য বজায় রেখে আপনার মেজাজ এবং শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কী কী রাখবেন ব্রেকফাস্টে? প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, জটিল কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন এবং খনিজগুলির সঠিক অনুপাত এক্ষেত্রে খুবই জরুরি।
১. প্রোটিন
পেশী স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল প্রোটিন। এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। আপনার শক্তির মাত্রা উচ্চ রেখে আপনাকে সারাদিন সক্রিয় রাখে । প্রোটিন হরমোন উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে। ডিম, দইয়ের মতো প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে আপনার সকাল শুরু করুন।
২. স্বাস্থ্যকর চর্বি:
অ্যাভোকাডো, বাদাম এবং বীজ শুধুমাত্র সুস্বাদু নয়, তারা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের গুডফ্যাট মেজাজ এবং শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগুলির সংশ্লেষণে সহায়তা করে। আপনার পরিপাক স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী রাখে।
৩. কার্বোহাইড্রেট:
ফল এবং সবজি রাখুন পাতে। এগুলো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফাইবার ইনসুলিন সংবেদনশীলতা সমর্থন করে। রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে । জটিল কার্বোহাইড্রেট আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর ভাবে কাজ করতে পারে।
৪. হাইড্রেশন:
ডিহাইড্রেশন হরমোন উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে এবং অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির কাজকে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার হরমোনের স্বাস্থ্য যথাযথ রাখতে এক গ্লাস জল দিয়ে আপনার দিন শুরু করুন। এবং সারাদিনে কমপক্ষে ৩ লিটার জল খান যদি কোনও ডাক্তারি নিষেধ না থাকে।
৫. সময় নিয়ে খান:
তাড়াতাড়ি নয়, ধীরে সুস্থে খান। মনোযোগ সহকারে খাওয়া মানসিক চাপ কমায়, এবং হজমশক্তি বাড়ায়।
আধুনিক জীবনধারার অংশ হয়ে উঠেছে ফুড-পার্সেল। অলসতার জন্যে তো বটেই অনেক সময় স্ট্রেস জোনে থাকা মানুষের মধ্যেও এই প্রবণতা বাড়ে। তেমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্ট্রেস মনের শান্তি কেড়ে নেয় এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতার দিকে নিয়ে যায়। যা আপনার শরীরের প্রক্রিয়াগুলিকে ব্যাহত করতে পারে। আপনার কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে। কমিয়ে দিতে পারে রোগ প্রতিরোধের শক্তি। একটি স্বাস্থ্যকর প্রাতঃরাশ আপনার শরীরকে ব্যালান্স করতে সাহায্য করতে পারে। আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য বজায় রেখে আপনার মেজাজ এবং শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কী কী রাখবেন ব্রেকফাস্টে? প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, জটিল কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন এবং খনিজগুলির সঠিক অনুপাত এক্ষেত্রে খুবই জরুরি।
১. প্রোটিন
পেশী স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল প্রোটিন। এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। আপনার শক্তির মাত্রা উচ্চ রেখে আপনাকে সারাদিন সক্রিয় রাখে । প্রোটিন হরমোন উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে। ডিম, দইয়ের মতো প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে আপনার সকাল শুরু করুন।
২. স্বাস্থ্যকর চর্বি:
অ্যাভোকাডো, বাদাম এবং বীজ শুধুমাত্র সুস্বাদু নয়, তারা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের গুডফ্যাট মেজাজ এবং শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগুলির সংশ্লেষণে সহায়তা করে। আপনার পরিপাক স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী রাখে।
৩. কার্বোহাইড্রেট:
ফল এবং সবজি রাখুন পাতে। এগুলো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফাইবার ইনসুলিন সংবেদনশীলতা সমর্থন করে। রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে । জটিল কার্বোহাইড্রেট আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর ভাবে কাজ করতে পারে।
৪. হাইড্রেশন:
ডিহাইড্রেশন হরমোন উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে এবং অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির কাজকে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার হরমোনের স্বাস্থ্য যথাযথ রাখতে এক গ্লাস জল দিয়ে আপনার দিন শুরু করুন। এবং সারাদিনে কমপক্ষে ৩ লিটার জল খান যদি কোনও ডাক্তারি নিষেধ না থাকে।
৫. সময় নিয়ে খান:
তাড়াতাড়ি নয়, ধীরে সুস্থে খান। মনোযোগ সহকারে খাওয়া মানসিক চাপ কমায়, এবং হজমশক্তি বাড়ায়।
















