আজকাল ওয়েবডেস্ক: যৌনতার ইতিহাসে ক্লিভেজ বা বক্ষ বিভাজনের যাত্রা যেন এক গোপন সমাজচিত্র। একসময় যা ছিল রাজকীয় আভিজাত্যের প্রতীক, তা-ই পরবর্তীতে রূপ নেয় লজ্জা ও নিষেধের পোশাকে। ফরাসি সভ্যতার রাজপ্রাসাদ থেকে শুরু করে ফ্ল্যাপার যুগের বক্ষবন্ধনীহীন স্বাধীনতা—নারীর বক্ষ যেন প্রতি যুগে নিজের মতো করে লিখেছে স্বাধীনতার নতুন সংজ্ঞা।
ভিক্টোরিয়ান রক্ষণশীলতা যখন স্তনের উপর স্তর জমিয়েছে কাপড়ের, তখন ৫০-এর দশকে ‘সুইটার গার্ল’-দের বুলেট ব্রা জানান দিয়েছিল—নারীত্ব লুকিয়ে নয়, দেখিয়ে জয় করার বস্তু। আবার ষাটের দশকের ‘ব্রা-হীন’ বিপ্লব নারীশরীরকে করেছিল পিতৃতন্ত্রবিরোধী এক রাজনৈতিক বার্তার বাহক।
আজ, যখন ফ্যাশন আবার ফিরে দেখছে 'বৃন্ত মুক্তির' আন্দোলনের দিকে, ক্লিভেজ যেন শুধু আর যৌনতার প্রতীক নয়—এ এক রাজনৈতিক অবস্থান, সামাজিক বার্তা, আর নারীর দেহ ও অধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর সাহসী ভাষা। বক্ষ বিভাজনের এই ইতিহাস যেন বারবার মনে করিয়ে দেয়—স্তন কখনও ছিল না শুধুই যৌনতা, তা ছিল এক-একটি যুগের আত্মপরিচয়ের প্রতীক।
