এখন পুরুষ মহিলা নির্বিশেষে ৪০ এর কোঠা পেরোতেই নানা রোগ আক্রমণ করে৷ এর জন্য মূলত দায়ী অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পাশাপাশি সুস্থ থাকাও আবশ্যক৷
2
11
একটা সময় ছিল যখন ৯০ বা ১০০ বছর পর্যন্ত সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকা ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। গবেষকদের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে বিশেষ ধরনের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন— যার নাম ব্লু জোন ডায়েট (Blue Zone Diet)।
3
11
ব্লু জোন বলতে পৃথিবীর সেই পাঁচটি অঞ্চলকে বোঝানো হয় যেখানে মানুষের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই অঞ্চলের অনেক মানুষই ৯০ থেকে ১০০ বছর বা তারও বেশি বয়স পর্যন্ত সুস্থভাবে বেঁচে থাকেন।
4
11
জাপানের ওকিনাওয়া, ইতালির সারডিনিয়া, গ্রিসের ইকারিয়া, কোস্টা রিকার নিকোয়া পেনিনসুলা এবং ক্যালিফোর্নিয়ার লোমা লিন্ডা এই পাঁচটি জায়গাকে ব্লু জোন বলা হয়৷ এই জায়গাগুলির মানুষের খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনকে বলা হয় ব্লু জোন ডায়েট৷
5
11
ব্লু জোন ডায়েট কোনও কঠোর ডায়েট চার্ট নয়। বরং এটি একটি সুস্থ জীবনযাপনের অভ্যাস গঠনের নাম। এই ডায়েটে ৯০–৯৫ শতাংশ খাবার হয় প্রাকৃতিক এবং উদ্ভিজ উপাদান থেকে তৈরি৷
6
11
এই ডায়েটে কী কী খাওয়া হয়?
মুসুর ডাল, ছোলা, রাজমা- এগুলিতে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার থাকায় শরীরের জন্য খুব উপকারী৷
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য এই ডায়েটে আপেল, কলা, ব্লুবেরি ছাড়াও মরশুমের সমস্ত ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়৷ শুকনো ফলের মধ্যে কাঠবাদাম, আখরোট, পেস্তা, খেজুর, তিসির বীজ ইত্যাদি খাওয়া হয়৷ অলিভ অয়েল এই ডায়েটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
9
11
প্যাকেটজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি, নরম পানীয়, অতিরিক্ত মাংস আর ফাস্ট ফুড এই ডায়েটের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়৷
10
11
ব্লু জোন ডায়েট শুধু খাবারের তালিকা নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দর্শন।
ব্লু জোন ডায়েটে একাধিক উপকার পাওয়া যায়৷
11
11
ব্লু জোন ডায়েট ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে৷ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। শরীরে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে ভিতর থেকে সুরক্ষা দেয়।