আজকাল ওয়েবডেস্ক: হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ দেখা মাত্র গুলি। নির্দেশ দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন নৌবাহিনীকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শত্রু পক্ষকে রুখতে যেন বিন্দুমাত্র ‘দ্বিধা’ না করা হয়।
ট্রাম্পের দাবি, হরমুজ প্রণালী এখন পুরোপুরি আমেরিকার কব্জায়। বর্তমানে সেখানে কড়া নজর রাখছে মার্কিন নৌবাহিনী। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি নৌবাহিনীকে বলেছি, হরমুজ প্রণালীতে মাইন পাততে দেখলেই যেন যে কোনও নৌকাকে গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। ওদের সবক’টি জাহাজ এখন সমুদ্রের তলায়! এই কাজে কোনও দয়া দেখানোর জায়গা নেই।” পাশাপাশি, মাইন সরানোর কাজের গতি তিন গুণ বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
পাকিস্তান যখন আমেরিকা ও ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক সেই পরিস্থিতিতেই ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। একইসঙ্গে ট্রাম্পের ইঙ্গিত, আগামী দু’-তিন দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে ইরান থেকে তেল পাচারের অভিযোগে আবারও একটি ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করেছে মার্কিন ফৌজ।
পেন্টাগনের দাবি ছিল, যুদ্ধ না থামলে হরমুজ প্রণালী মাইন-মুক্ত করা অসম্ভব। এই কাজে অন্তত ছ’মাস সময় লাগবে। কিন্তু যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকা দাবি করেছে যে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলি ইতিমধ্যেই জলপথ সাফ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি ট্রাম্প। তাঁর দাবি, সে দেশে এখন চরম ডামাডোল চলছে। কট্টরপন্থী ও মধ্যপন্থীদের লড়াইয়ে ইরান দিশেহারা।
ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কোনও চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী কার্যত ‘সিল’ করা থাকবে। অর্থাৎ, মার্কিন সেনার অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজ সেখানে ঢুকতেও পারবে না, বেরোতেও পারবে না। আবার ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে, ওই জলপথের নিয়ন্ত্রণ আসলে তাদের হাতেই।















