আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইরান এবং আমেরিকার বৈঠক ঘিরে চরম উত্তেজনা। এই পরিস্থিতিতে এ বার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পাকিস্তান। আর এই শান্তি বৈঠক ঘিরেই কার্যত অনিশ্চয়তায় বিশ্ব। মঙ্গলবার আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের পাকিস্তান পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদৌ রওনা দিয়েছেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ভ্যান্স এখনও রওনা দেননি। অথচ এর আগে খোদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মার্কিন প্রতিনিধি দল আলোচনার পথে।
অন্যদিকে, তেহরানও এই বৈঠকে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। আমেরিকা ইরানের মুখোমুখি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান বেশ আশাবাদী। এক পাক আধিকারিক জানিয়েছেন, তাঁরা ইরানের থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছেন। সুতরাং শেষ পর্যন্ত তেহরান বৈঠকে যোগ দেবে বলেই তাঁদের বিশ্বাস।
কাল বুধবার বড় দিন। গত কয়েকদিন ধরে চলা আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হচ্ছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে কোনও সমাধান না হলে পুরোদমে 'বোমাবর্ষণ' শুরু হবে।
একইসঙ্গে ট্রাম্প এ কথাও জানিয়েছেন, চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলির ওপর থেকে 'অবরোধ' তোলা হবে না। তাঁর দাবি, এই অবরোধের জেরে ইরান প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির মুখে পড়ছে।
পিছিয়ে নেই ইরানও৷ ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মহম্মদ রেজা আরিফ সতর্ক করে দিয়েছেন যে, তাঁদের তেল রপ্তানি করতে না দিলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। এমনকী যুদ্ধে 'দেখে নেব' গোছের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।
ইতিমধ্যেই, রবিবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। একদিকে ইরান-আমেরিকা সংঘাত, অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নতুন করে আলোচনার তোড়জোড় শুরু করেছে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক। ২২ এপ্রিলের ডেডলাইনের আগে গোটা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন টালমাটাল।
















