আজকাল ওয়েবডেস্ক: 'নেতানিয়াহুর হাতের পুতুল ট্রাম্প'। কার্যত এমনটাই দাবি করলেন জোলফাকারি। পারস্য উপসাগরে কোনওভাবে ‘স্থল অভিযান' বা 'দখলের’ চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনীকে চরম মাশুল গুনতে হবে- রবিবার এই ভাষাতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিল ইরান। তেহরানের হুঙ্কার, মার্কিন সেনারা যদি ইরানের মাটি ছোঁয়ার ধৃষ্টতা দেখায়, তবে তাদের ‘পারস্য উপসাগরের হাঙরের খাদ্য’ হতে হবে।
ইরানের ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাকারি একটি ভিডিও বার্তায় এই কড়া বার্তা দিয়েছেন।
নিজের বিবৃতিতে ট্রাম্পকে কার্যত তুলোধোনা করেছেন জোলফাকারি। তাঁর দাবি, কুখ্যাত এপস্টেইন মামলার সঙ্গে যোগসূত্র থাকায় ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের চরম চাপে রয়েছেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হাতের ‘পুতুল’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন তিনি।
জোলফাকারি বলেন, “এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, এপস্টেইন মামলার মত 'কলঙ্কিত' প্রেক্ষাপটের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন মোসাদের মত এক জঙ্গি গোষ্ঠীর চাপে রয়েছেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং আগ্রাসনের লড়াইতে তিনি এখন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর হাতের দাবার ঘুঁটি মাত্র।”
ইরানি জেনারেলের হুঁশিয়ারি, মার্কিন বাহিনী যদি কোনওভাবে স্থলপথে হামলা এমনকী, দ্বীপ দখলের চেষ্টা চালায়, তবে তাদের ধ্বংস করার জন্য ইরানের সেনাবাহিনী ‘মুহূর্ত গুনছে’। তাঁর কথায়, “মার্কিন সেনাপতি এবং সেনারা পারস্য উপসাগরের হাঙরদের জন্য সুস্বাদু খাদ্য হবে।”
পেন্টাগন গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানের খাড়গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন এলাকায় স্থল অভিযানের নীল নকশা তৈরি করছে বলে খবর মিলেছে। যদিও ট্রাম্প এখনও সেই অভিযানে সবুজ সংকেত দেননি। তার মধ্যেই ইরানের এই নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়ে দিল।














